কুবির ইংরেজি বিভাগের ১৭তম উইকেন্ড
প্রোগ্রামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ইংরেজি বিভাগের আয়োজনে এমএ (উইকেন্ড প্রোগ্রাম) এর ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের
বিদায় সংবর্ধনা ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শ্রেণিকক্ষে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
ইংরেজি বিভাগের এমএ (উইকেন্ড প্রোগ্রাম) এর ২০তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মো. মমিন উল্লাহ্ যুব ও মাইশা হক নোভার সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহা. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উইকেন্ড মাস্টার্স কমিটির প্রোগ্রাম ডিরেক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো: আবুল হায়াত, সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক মো: হারুন ও সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে উইকেন্ড মাস্টার্স কমিটির প্রোগ্রাম ডিরেক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো: আবুল হায়াত বলেন, “এই বিদায় ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। সনদপত্র কেবল এক টুকরো কাগজ নয়; বরং এটি আপনাদের নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং যোগ্যতার প্রতীক। এমএ প্রোগ্রামের পুরো সময়জুড়ে আপনারা ভাষা ও সাহিত্যের বিভিন্ন দিক আয়ত্ত করেছেন; চেষ্টা করবেন সেগুলোকে আপনাদের বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে।”
সভাপতির বক্তব্যে ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহা: হাবিবুর রহমান বলেন, “এই আয়োজনের উদ্দেশ্য কেবল সনদপত্র প্রদান করা নয়, বরং এটি আপনাদের অর্জনের এক ধরনের স্বীকৃতি। আমি যখনই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যাই, দেখি যে প্রথম থেকে ২০তম ব্যাচ পর্যন্ত আমাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে। আপনারা যে জ্ঞান ও সনদ অর্জন করেছেন, তা আপনাদের বাস্তব জীবনে কাজে আসবে।”
তিনি আরো বলেন, “আপনারা জাতির সেবা করবেন, মানুষের পাশে দাঁড়াবেন এবং বিশ্বজুড়ে অবদান রাখবেন। আপনারা ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী, নিঃসন্দেহে আপনারা অত্যন্ত মেধাবী। তবে আমার মনে হয়, সমাজে মেধাবীর অভাব হয়তো নেই, কিন্তু ভালো মানুষ বা সুনাগরিকের অভাব রয়েছে।তাই, অর্জিত জ্ঞানের মাধ্যমে আপনারা প্রকৃত সুনাগরিক হয়ে উঠবেন। আধুনিক বিশ্বের এই সামাজিক, নৈতিক ও ধর্মীয় অবক্ষয়ের যুগে, আপনারা একজন ভালো মানুষ ও সুনাগরিক হয়ে ওঠার চেষ্টা করবেন।”

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
কুবির ইংরেজি বিভাগের ১৭তম উইকেন্ড
প্রোগ্রামের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ইংরেজি বিভাগের আয়োজনে এমএ (উইকেন্ড প্রোগ্রাম) এর ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের
বিদায় সংবর্ধনা ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শ্রেণিকক্ষে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
ইংরেজি বিভাগের এমএ (উইকেন্ড প্রোগ্রাম) এর ২০তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মো. মমিন উল্লাহ্ যুব ও মাইশা হক নোভার সঞ্চালনায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহা. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উইকেন্ড মাস্টার্স কমিটির প্রোগ্রাম ডিরেক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো: আবুল হায়াত, সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক মো: হারুন ও সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে উইকেন্ড মাস্টার্স কমিটির প্রোগ্রাম ডিরেক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো: আবুল হায়াত বলেন, “এই বিদায় ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। সনদপত্র কেবল এক টুকরো কাগজ নয়; বরং এটি আপনাদের নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং যোগ্যতার প্রতীক। এমএ প্রোগ্রামের পুরো সময়জুড়ে আপনারা ভাষা ও সাহিত্যের বিভিন্ন দিক আয়ত্ত করেছেন; চেষ্টা করবেন সেগুলোকে আপনাদের বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে।”
সভাপতির বক্তব্যে ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহা: হাবিবুর রহমান বলেন, “এই আয়োজনের উদ্দেশ্য কেবল সনদপত্র প্রদান করা নয়, বরং এটি আপনাদের অর্জনের এক ধরনের স্বীকৃতি। আমি যখনই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যাই, দেখি যে প্রথম থেকে ২০তম ব্যাচ পর্যন্ত আমাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে। আপনারা যে জ্ঞান ও সনদ অর্জন করেছেন, তা আপনাদের বাস্তব জীবনে কাজে আসবে।”
তিনি আরো বলেন, “আপনারা জাতির সেবা করবেন, মানুষের পাশে দাঁড়াবেন এবং বিশ্বজুড়ে অবদান রাখবেন। আপনারা ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী, নিঃসন্দেহে আপনারা অত্যন্ত মেধাবী। তবে আমার মনে হয়, সমাজে মেধাবীর অভাব হয়তো নেই, কিন্তু ভালো মানুষ বা সুনাগরিকের অভাব রয়েছে।তাই, অর্জিত জ্ঞানের মাধ্যমে আপনারা প্রকৃত সুনাগরিক হয়ে উঠবেন। আধুনিক বিশ্বের এই সামাজিক, নৈতিক ও ধর্মীয় অবক্ষয়ের যুগে, আপনারা একজন ভালো মানুষ ও সুনাগরিক হয়ে ওঠার চেষ্টা করবেন।”
