কৃষি খাতকে আরও আধুনিক, বাজারমুখী ও রপ্তানিযোগ্য করে তুলতে খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় রোববার (২২ জুন) খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এম. এম. আরিফ পাশা বলেন, কৃষি দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এবং প্রায় ৪৫ শতাংশ মানুষ সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তবে বৈশ্বিক বাজার ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে প্রচলিত কৃষি ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। একই সঙ্গে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে রপ্তানি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
খুলনা কৃষি বিপণন কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোছা. শাহনাজ বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজ সিফাত মেহনাজ এবং পার্টনার প্রকল্পের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্টনার প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার তৌহিদ মো. রাশেদ খান এবং খুলনা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সুমন হোসাইন।
আলোচনায় জানানো হয়, পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ২০ হাজার যুবক ও নারীকে অন-দ্য-জব প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান এবং ইনকিউবেশন সাপোর্ট প্রদান করা হবে। এর মধ্যে ১২ হাজার নারী ও ৮ হাজার যুবক রয়েছেন। ইতোমধ্যে ৬ হাজার ৫৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৮১৫ জন নারী এবং ২ হাজার ৭৬০ জন পুরুষ উদ্যোক্তা।
দেশের আটটি বিভাগ, ৬৪টি জেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং ২০৮টি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষি উদ্যোক্তা, ম্যাবস সদস্য ও আড়তদাররা অংশগ্রহণ করেন।
মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা কৃষি বিপণন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং বাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
কৃষি খাতকে আরও আধুনিক, বাজারমুখী ও রপ্তানিযোগ্য করে তুলতে খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আঞ্চলিক বিপণন কর্মশালা। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় রোববার (২২ জুন) খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এম. এম. আরিফ পাশা বলেন, কৃষি দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এবং প্রায় ৪৫ শতাংশ মানুষ সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তবে বৈশ্বিক বাজার ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে প্রচলিত কৃষি ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। একই সঙ্গে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে রপ্তানি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
খুলনা কৃষি বিপণন কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোছা. শাহনাজ বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মিজ সিফাত মেহনাজ এবং পার্টনার প্রকল্পের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ড. মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্টনার প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার তৌহিদ মো. রাশেদ খান এবং খুলনা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সুমন হোসাইন।
আলোচনায় জানানো হয়, পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ২০ হাজার যুবক ও নারীকে অন-দ্য-জব প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান এবং ইনকিউবেশন সাপোর্ট প্রদান করা হবে। এর মধ্যে ১২ হাজার নারী ও ৮ হাজার যুবক রয়েছেন। ইতোমধ্যে ৬ হাজার ৫৭৫ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৮১৫ জন নারী এবং ২ হাজার ৭৬০ জন পুরুষ উদ্যোক্তা।
দেশের আটটি বিভাগ, ৬৪টি জেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং ২০৮টি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষি উদ্যোক্তা, ম্যাবস সদস্য ও আড়তদাররা অংশগ্রহণ করেন।
মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা কৃষি বিপণন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং বাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
