কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব গ্রামে ধরলা নদীর তীরে নির্মিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। বাঁধের বড় একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ধরলা নদীর তীব্র স্রোত ও অব্যাহত ভাঙনের কারণে বাঁধের নিচের মাটি সরে যাচ্ছে। এতে বাঁধের ওপর স্থাপিত কংক্রিট (সিসি) ব্লকের একটি অংশ একের পর এক নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৪০০ মিটার দীর্ঘ বাঁধটির অন্তত ৩০ মিটার অংশ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বাঁধের আরও বড় অংশ ধসে পড়তে পারে।
তারা বলেন, ধরলা নদীর ভাঙন থেকে বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও স্থানীয় অবকাঠামো রক্ষায় এই বাঁধটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু বর্তমানে বাঁধের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সারডোবসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ নতুন করে নদীভাঙন ও বন্যার আশঙ্কায় রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত, নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং বাঁধের স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব গ্রামে ধরলা নদীর তীরে নির্মিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। বাঁধের বড় একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ধরলা নদীর তীব্র স্রোত ও অব্যাহত ভাঙনের কারণে বাঁধের নিচের মাটি সরে যাচ্ছে। এতে বাঁধের ওপর স্থাপিত কংক্রিট (সিসি) ব্লকের একটি অংশ একের পর এক নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৪০০ মিটার দীর্ঘ বাঁধটির অন্তত ৩০ মিটার অংশ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বাঁধের আরও বড় অংশ ধসে পড়তে পারে।
তারা বলেন, ধরলা নদীর ভাঙন থেকে বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও স্থানীয় অবকাঠামো রক্ষায় এই বাঁধটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু বর্তমানে বাঁধের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সারডোবসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ নতুন করে নদীভাঙন ও বন্যার আশঙ্কায় রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত, নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং বাঁধের স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
