কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) জুলাই গণহত্যার বিচার, সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী রাজনীতির পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর দাবিতে কফিন মিছিল ও সংহতি সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। সমাবেশে বক্তারা জুলাইয়ের ঘটনায় নিহত ও আহতদের স্মরণ করে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে গোলচত্বর পর্যন্ত কফিন মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখানে সংহতি সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
এ সময় অংশগ্রহণকারীদের ‘জুলাইয়ের শহীদদের লাল সালাম’, ‘শহীদ আবু সাঈদকে লাল সালাম’, ‘আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’ এবং ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এসময় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ও কুবির ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম ভূঁইয়া বলেন, “গত ১৬ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ঘটনায় বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। প্রায় ১,৪০০ জন শহীদ এবং ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই এখনো দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। খুনি হাসিনা, ডিজিএফআই, এনএসআই এবং সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগকে দলীয়ভাবে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট দল বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসতে না পারে, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দেশ আবারও রক্তাক্ত হতে পারে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) জুলাই গণহত্যার বিচার, সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী রাজনীতির পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর দাবিতে কফিন মিছিল ও সংহতি সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। সমাবেশে বক্তারা জুলাইয়ের ঘটনায় নিহত ও আহতদের স্মরণ করে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে গোলচত্বর পর্যন্ত কফিন মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখানে সংহতি সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
এ সময় অংশগ্রহণকারীদের ‘জুলাইয়ের শহীদদের লাল সালাম’, ‘শহীদ আবু সাঈদকে লাল সালাম’, ‘আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’ এবং ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এসময় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ও কুবির ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম ভূঁইয়া বলেন, “গত ১৬ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ঘটনায় বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন। প্রায় ১,৪০০ জন শহীদ এবং ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই এখনো দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। খুনি হাসিনা, ডিজিএফআই, এনএসআই এবং সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগকে দলীয়ভাবে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট দল বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসতে না পারে, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দেশ আবারও রক্তাক্ত হতে পারে।
