কক্সবাজার–টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে আবারও মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সিএনজি ও পর্যটকবাহী ‘চাঁদের গাড়ি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে নূর কলিমা নামে এক নারী প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, চিকিৎসা শেষে কক্সবাজার থেকে টেকনাফে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নূর কলিমা তার স্বামী সোহেল, শিশু সন্তান ও শাশুড়িকে নিয়ে সিএনজিতে ছিলেন। সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনায় সোহেল সামান্য আহত হলেও তাঁর শাশুড়ির অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, তাদের শিশু সন্তানটি অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পর্যটকবাহী ‘চাঁদের গাড়ি’টি বেপরোয়া গতিতে চলছিল এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে এসে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, মেরিন ড্রাইভ সড়কে বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের দুর্ঘটনা বন্ধ করা সম্ভব নয়।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
কক্সবাজার–টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে আবারও মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সিএনজি ও পর্যটকবাহী ‘চাঁদের গাড়ি’র মুখোমুখি সংঘর্ষে নূর কলিমা নামে এক নারী প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, চিকিৎসা শেষে কক্সবাজার থেকে টেকনাফে ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নূর কলিমা তার স্বামী সোহেল, শিশু সন্তান ও শাশুড়িকে নিয়ে সিএনজিতে ছিলেন। সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনায় সোহেল সামান্য আহত হলেও তাঁর শাশুড়ির অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, তাদের শিশু সন্তানটি অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পর্যটকবাহী ‘চাঁদের গাড়ি’টি বেপরোয়া গতিতে চলছিল এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে এসে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, মেরিন ড্রাইভ সড়কে বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের দুর্ঘটনা বন্ধ করা সম্ভব নয়।
