রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনার পর গাজী নজরুল ইসলামের গ্রেপ্তার ও জামায়াত-এনসিপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং গাজী নজরুলের গ্রেপ্তারের দাবিতে জামায়াত-শিবির ও এনসিপি কোনো কর্মসূচি দেবে কি না, সে প্রশ্ন তোলেন।
রাশেদ খাঁনের পোস্টে ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি গাজী নজরুল ইসলাম ও মরিয়ম খাতুনের পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। এসব বক্তব্য রাশেদ খাঁনের নিজস্ব দাবি; এগুলোর সত্যতা তদন্তে নির্ধারিত হবে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক দল কাজ করেছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
এর আগে জুলাইয়ে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে নজরুল ইসলাম দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন এবং তাদের ১৭ জুন ২০২৬ পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছে।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক তদন্তে ‘নৈতিক স্খলন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল।
বর্তমানে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তাধীন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ ঘটনার পর গাজী নজরুল ইসলামের গ্রেপ্তার ও জামায়াত-এনসিপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এবং গাজী নজরুলের গ্রেপ্তারের দাবিতে জামায়াত-শিবির ও এনসিপি কোনো কর্মসূচি দেবে কি না, সে প্রশ্ন তোলেন।
রাশেদ খাঁনের পোস্টে ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি গাজী নজরুল ইসলাম ও মরিয়ম খাতুনের পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। এসব বক্তব্য রাশেদ খাঁনের নিজস্ব দাবি; এগুলোর সত্যতা তদন্তে নির্ধারিত হবে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক দল কাজ করেছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
এর আগে জুলাইয়ে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে নজরুল ইসলাম দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন এবং তাদের ১৭ জুন ২০২৬ পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছে।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক তদন্তে ‘নৈতিক স্খলন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল।
বর্তমানে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তাধীন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
