কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম (১৩) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে বয়স কম হওয়ায় তাদের মধ্যে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও কামরুল হাসানকে (১৬) গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে দুই কিশোর ফাহাদ ও কামরুলকে সোমবার শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কারাগারে থাকবে। তাদের মধ্যে সিয়ামকে মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান জানান, হত্যার মামলায় চার আসামিকে রোববার রাতে কারাগারে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। দুই কিশোরকে পরদিন গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
এর আগে শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ক্যাম্পাসের পাশের লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগের দিন শুক্রবার থেকে সে নিখোঁজ ছিল। অপ্রতীম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে।
রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়েছে।
এদিকে, রোববার রাতে সিয়াম ছাড়া অপর তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম (১৩) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে বয়স কম হওয়ায় তাদের মধ্যে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও কামরুল হাসানকে (১৬) গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে দুই কিশোর ফাহাদ ও কামরুলকে সোমবার শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কারাগারে থাকবে। তাদের মধ্যে সিয়ামকে মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান জানান, হত্যার মামলায় চার আসামিকে রোববার রাতে কারাগারে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। দুই কিশোরকে পরদিন গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
এর আগে শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ক্যাম্পাসের পাশের লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগের দিন শুক্রবার থেকে সে নিখোঁজ ছিল। অপ্রতীম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে।
রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়েছে।
এদিকে, রোববার রাতে সিয়াম ছাড়া অপর তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান।
