পরিবেশ দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রেক্ষাপটে ইসলামে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সাড়ে ১৪শ বছর আগে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) পরিবেশ রক্ষায় মানবজাতিকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
ইসলামী শিক্ষা অনুযায়ী বায়ু ও পানি দূষণ প্রতিরোধ, ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার, বৃক্ষরোপণ ও বনায়ন, প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং জীবজন্তুর প্রতি দয়া প্রদর্শন এসবই পরিবেশ সংরক্ষণের মূল ভিত্তি।
হাদিসে অপ্রয়োজনীয়ভাবে পানি অপচয় না করা, আবদ্ধ পানিতে ময়লা না ফেলা এবং রাস্তাঘাট ও উন্মুক্ত স্থানে পরিবেশ নষ্ট না করার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে বৃক্ষরোপণকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং গাছ কাটা বা ধ্বংস না করার নির্দেশনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মহানবী (সা.)-এর এসব শিক্ষা আধুনিক পরিবেশবিজ্ঞানের সঙ্গেও গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
পরিবেশ দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রেক্ষাপটে ইসলামে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সাড়ে ১৪শ বছর আগে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) পরিবেশ রক্ষায় মানবজাতিকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন, যা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
ইসলামী শিক্ষা অনুযায়ী বায়ু ও পানি দূষণ প্রতিরোধ, ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার, বৃক্ষরোপণ ও বনায়ন, প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং জীবজন্তুর প্রতি দয়া প্রদর্শন এসবই পরিবেশ সংরক্ষণের মূল ভিত্তি।
হাদিসে অপ্রয়োজনীয়ভাবে পানি অপচয় না করা, আবদ্ধ পানিতে ময়লা না ফেলা এবং রাস্তাঘাট ও উন্মুক্ত স্থানে পরিবেশ নষ্ট না করার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে বৃক্ষরোপণকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং গাছ কাটা বা ধ্বংস না করার নির্দেশনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মহানবী (সা.)-এর এসব শিক্ষা আধুনিক পরিবেশবিজ্ঞানের সঙ্গেও গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
