কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝাড় গোরস্থান ও রায়গঞ্জ আবাসন সংযোগ সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে চরম জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেতুর বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় প্রতিদিন শত শত পথচারী, শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা ও ছোট যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেতুটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কয়েকটি অংশ ভেঙে যাওয়ায় চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির কারণে সেতু পিচ্ছিল হয়ে পড়ে, ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।
এলাকাবাসী জানান, আন্ধারীঝাড় গোরস্থান, রায়গঞ্জ আবাসনসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের জন্য এই সেতুই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এই সেতু ব্যবহার করেন। এছাড়া জরুরি রোগী পরিবহন এবং জানাজায় অংশ নিতে গোরস্থানে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও সেতুটির ওপর নির্ভর করতে হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি সংস্কার কিংবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত সেতুটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, সাময়িক সংস্কারের পরিবর্তে একটি টেকসই ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের মাধ্যমে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝাড় গোরস্থান ও রায়গঞ্জ আবাসন সংযোগ সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে চরম জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেতুর বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় প্রতিদিন শত শত পথচারী, শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা ও ছোট যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেতুটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কয়েকটি অংশ ভেঙে যাওয়ায় চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির কারণে সেতু পিচ্ছিল হয়ে পড়ে, ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়।
এলাকাবাসী জানান, আন্ধারীঝাড় গোরস্থান, রায়গঞ্জ আবাসনসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের জন্য এই সেতুই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা এই সেতু ব্যবহার করেন। এছাড়া জরুরি রোগী পরিবহন এবং জানাজায় অংশ নিতে গোরস্থানে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও সেতুটির ওপর নির্ভর করতে হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি সংস্কার কিংবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত সেতুটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, সাময়িক সংস্কারের পরিবর্তে একটি টেকসই ও স্থায়ী সেতু নির্মাণের মাধ্যমে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে।
