পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা-এ একটি গোরস্থান থেকে ৭টি কঙ্কাল চুরির চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ঢাংগাঢাংগি এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে গোরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামবাসী কয়েকটি কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পান। পরে ভেতরে তাকিয়ে দেখা যায়, কবরের ভেতরে কোনো কঙ্কাল নেই। একে একে পরীক্ষা করে মোট ৭টি পুরনো কবরের কঙ্কাল চুরি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র গোরস্থানের নির্জনতার সুযোগ নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। চুরি হওয়া কবরগুলো বেশ কয়েক বছরের পুরনো বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ গোরস্থানে ভিড় করেন। স্বজনদের কবরের এমন অবস্থা দেখে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। গ্রামবাসীর ভাষ্য, এর আগে এলাকায় এমন ঘটনা কখনো ঘটেনি এবং এটি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
ঘটনাটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি তদন্ত করছে। কঙ্কাল চুরির পেছনে কোনো তান্ত্রিক চক্র নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে গোরস্থানগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা-এ একটি গোরস্থান থেকে ৭টি কঙ্কাল চুরির চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ঢাংগাঢাংগি এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে গোরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামবাসী কয়েকটি কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পান। পরে ভেতরে তাকিয়ে দেখা যায়, কবরের ভেতরে কোনো কঙ্কাল নেই। একে একে পরীক্ষা করে মোট ৭টি পুরনো কবরের কঙ্কাল চুরি হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র গোরস্থানের নির্জনতার সুযোগ নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। চুরি হওয়া কবরগুলো বেশ কয়েক বছরের পুরনো বলে জানা গেছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ গোরস্থানে ভিড় করেন। স্বজনদের কবরের এমন অবস্থা দেখে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। গ্রামবাসীর ভাষ্য, এর আগে এলাকায় এমন ঘটনা কখনো ঘটেনি এবং এটি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
ঘটনাটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি তদন্ত করছে। কঙ্কাল চুরির পেছনে কোনো তান্ত্রিক চক্র নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে গোরস্থানগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
