দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের পর্যটন খাতের অন্যতম আলোচিত বিষয় দেশটির নাইটলাইফ। তবে এর বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে যৌন বাণিজ্য, যা দেশটির আইনে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
থাইল্যান্ডে যৌনকাজের জন্য খদ্দের আহ্বান, পতিতালয় পরিচালনা কিংবা দালালের ভূমিকা পালন আইনত অপরাধ। অথচ ব্যাংকক ও পাতায়ার মতো জনপ্রিয় পর্যটন শহরগুলোতে এখনও বড় পরিসরে চলছে এই কার্যক্রম।
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব সেক্স ওয়ার্কার্সের (আইইউএসডব্লিউ) ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে আড়াই লাখের বেশি যৌনকর্মী রয়েছেন। সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে এটি অষ্টম অবস্থানে রয়েছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এই খাত থেকে দেশটির বার্ষিক আয় প্রায় ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। তবে এই আয় থাইল্যান্ডের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হয় না।
দেশটির আইনে যৌনবৃত্তির সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন কাজে যুক্ত করা বা জোরপূর্বক এ কাজে বাধ্য করার ক্ষেত্রে রয়েছে কঠোর শাস্তি।
তবে বাস্তবে নানা কারণে এই পেশা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে এর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, সামাজিক বাস্তবতা এবং নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার কারণে এটি অনেকটা গোপনে চলতে থাকে।
এ নিয়ে থাইল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে যৌনকর্মীদের অধিকার ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আইনি স্বীকৃতির দাবিও উঠেছে। এরই মধ্যে দেশটির সরকার আইন সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের পর্যটন খাতের অন্যতম আলোচিত বিষয় দেশটির নাইটলাইফ। তবে এর বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে যৌন বাণিজ্য, যা দেশটির আইনে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
থাইল্যান্ডে যৌনকাজের জন্য খদ্দের আহ্বান, পতিতালয় পরিচালনা কিংবা দালালের ভূমিকা পালন আইনত অপরাধ। অথচ ব্যাংকক ও পাতায়ার মতো জনপ্রিয় পর্যটন শহরগুলোতে এখনও বড় পরিসরে চলছে এই কার্যক্রম।
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব সেক্স ওয়ার্কার্সের (আইইউএসডব্লিউ) ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে আড়াই লাখের বেশি যৌনকর্মী রয়েছেন। সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে এটি অষ্টম অবস্থানে রয়েছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এই খাত থেকে দেশটির বার্ষিক আয় প্রায় ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। তবে এই আয় থাইল্যান্ডের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হয় না।
দেশটির আইনে যৌনবৃত্তির সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন কাজে যুক্ত করা বা জোরপূর্বক এ কাজে বাধ্য করার ক্ষেত্রে রয়েছে কঠোর শাস্তি।
তবে বাস্তবে নানা কারণে এই পেশা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে এর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, সামাজিক বাস্তবতা এবং নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার কারণে এটি অনেকটা গোপনে চলতে থাকে।
এ নিয়ে থাইল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে যৌনকর্মীদের অধিকার ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আইনি স্বীকৃতির দাবিও উঠেছে। এরই মধ্যে দেশটির সরকার আইন সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।
