রাশিয়া ও ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাতভর ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে উভয় পক্ষ। এসব হামলায় দুই দেশে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আবাসিক ভবন, শিল্পকারখানা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় রোস্তভ অঞ্চলের গভর্নর ইউরি স্লিউসার জানিয়েছেন, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় সেখানে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। হামলায় কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বনাঞ্চলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।রুশ কর্তৃপক্ষের দাবি, ইউক্রেনের হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সামরিক ও শিল্প অবকাঠামোও ছিল। একই সঙ্গে মস্কো অঞ্চলেও বড় ধরনের ড্রোন হামলার কথা জানিয়েছে রাশিয়া।মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিনের দাবি, রাজধানীমুখী প্রায় ৬০০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশজুড়ে রাতভর ৮২২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।মস্কোর কাছে পোদোলস্ক এলাকায় অনলাইন খুচরা প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের একটি বড় গুদামে ড্রোন হামলায় আগুন লাগে। এতে ৮৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। আগুনের কারণে আকাশে ঘন ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে।অন্যদিকে ইউক্রেনেও রাশিয়ার ব্যাপক বিমান হামলা হয়েছে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিয়েভসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।ক্রিভি রিহ শহরে রুশ হামলায় একটি ইস্পাত কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে দুইজন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়েছেন।ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার ছোড়া অনেক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে প্রতিহত করা হয়েছে। তবে রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলার সতর্কতা জারি ছিল।এদিকে সংঘাতের প্রভাব পড়েছে ন্যাটো সদস্য দেশ রোমানিয়াতেও। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আকাশসীমায় প্রবেশ করা একটি ড্রোনকে স্পেনের একটি এফ-১৮ যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। ন্যাটোর এক কর্মকর্তা ধারণা করছেন, ড্রোনটি রুশ হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষই দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অ