গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় বিএনপির দুই নেতার ওপর হামলা এবং তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪০৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে গ্রেফতার ব্যক্তিদের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে এক স্থানীয় সাংবাদিক পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১০৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ১৮ জনকে বুধবার সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করার পর জেলহাজতে পাঠানো হয়।আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় গ্রেফতার ব্যক্তিরা বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেন। এ সময় ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টরের বাধার মুখে পড়েন স্থানীয় সাংবাদিক বাদল সাহা। সাংবাদিকদের দাবি, পরিচয় দেওয়ার পরও ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ায় সংবাদকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।এর আগে উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের তিলছড়া এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সময় পথ দিয়ে যাওয়ার সময় রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির দুই নেতার ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তাদের মারধরের পাশাপাশি ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান জানান, বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং সড়কে বেআইনি বিক্ষোভের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।