চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

লাখাইয়ে সংঘর্ষে আহত হৃদয়ের মৃত্যু, শোকের ছায়া জিরুন্ডায়

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
লাখাইয়ে সংঘর্ষে আহত হৃদয়ের মৃত্যু, শোকের ছায়া জিরুন্ডায়

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার জিরুন্ডা গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবশেষে মারা গেছেন সাইকুল ইসলাম হৃদয় (২২)। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

লাখাই থানা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল ঈদ পরবর্তী সময়ে জিরুন্ডা গ্রামের মোস্তাক মিয়া ও মুছা মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে চুল কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাঁধে। ওই সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। গুরুতর আহতদের মধ্যে হৃদয়কে (পিতা: আব্দুর রহমান) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পিজি হাসপাতালে পাঠানো হয়।

দীর্ঘ ১৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় হৃদয় মারা যান। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের দায়েরকৃত পাল্টাপাল্টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ শফিকুল ইসলাম হৃদয়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আমি বর্তমানে জিরুন্ডা গ্রামে অবস্থান করছি। আমাদের থানার উপপরিদর্শক প্রনয় কুমার সরকারসহ পুলিশের একটি টিমও এখানে রয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত হৃদয়ের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। নিহতের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর আজই (শুক্রবার) নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


লাখাইয়ে সংঘর্ষে আহত হৃদয়ের মৃত্যু, শোকের ছায়া জিরুন্ডায়

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৫

featured Image

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার জিরুন্ডা গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবশেষে মারা গেছেন সাইকুল ইসলাম হৃদয় (২২)। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

লাখাই থানা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল ঈদ পরবর্তী সময়ে জিরুন্ডা গ্রামের মোস্তাক মিয়া ও মুছা মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে চুল কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাঁধে। ওই সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। গুরুতর আহতদের মধ্যে হৃদয়কে (পিতা: আব্দুর রহমান) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পিজি হাসপাতালে পাঠানো হয়।

দীর্ঘ ১৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় হৃদয় মারা যান। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের দায়েরকৃত পাল্টাপাল্টি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ শফিকুল ইসলাম হৃদয়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আমি বর্তমানে জিরুন্ডা গ্রামে অবস্থান করছি। আমাদের থানার উপপরিদর্শক প্রনয় কুমার সরকারসহ পুলিশের একটি টিমও এখানে রয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত হৃদয়ের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। নিহতের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর আজই (শুক্রবার) নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত