বুধবার (১৩ মে) ঢাকার লালবাগ এলাকায় সরকারি খাসজমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমির দখল পুনরুদ্ধার করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, লালবাগ মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ ও ব্যবহার করে আসছিল মদিনা গ্রুপ। এ ঘটনায় উচ্ছেদ মোকদ্দমা ৭৭/২০২৫-এর আলোকে গত ১৩ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) দখল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় চিঠি ইস্যু করেন।
পরে দখলদার পক্ষ উচ্চ আদালতে ৪৭৩৪/২০২৬ নম্বর রিট মামলা দায়ের করে স্থগিতাদেশ নেয়। তবে সরকারপক্ষ সিভিল বিবিধ মামলা (২৯৩/২০২৬) দায়ের করলে গত ১২ মে চেম্বার জজ আদালত পূর্বের স্থগিতাদেশ স্থগিত করেন। আদালতের ওই আদেশের পরই জেলা প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।
ফরিদা খানম বলেন, “সরকারি জমি দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সরকারি জমি উদ্ধার করেছি এবং এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “সরকারি সম্পত্তি জনগণের সম্পদ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে অবৈধভাবে এসব জমি দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”
জেলা প্রশাসক বলেন, “এ অভিযান দখলদারদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা। বছরের পর বছর সরকারি জমি দখল করে যারা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে, যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেসব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।”

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
বুধবার (১৩ মে) ঢাকার লালবাগ এলাকায় সরকারি খাসজমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমির দখল পুনরুদ্ধার করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, লালবাগ মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ ও ব্যবহার করে আসছিল মদিনা গ্রুপ। এ ঘটনায় উচ্ছেদ মোকদ্দমা ৭৭/২০২৫-এর আলোকে গত ১৩ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) দখল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় চিঠি ইস্যু করেন।
পরে দখলদার পক্ষ উচ্চ আদালতে ৪৭৩৪/২০২৬ নম্বর রিট মামলা দায়ের করে স্থগিতাদেশ নেয়। তবে সরকারপক্ষ সিভিল বিবিধ মামলা (২৯৩/২০২৬) দায়ের করলে গত ১২ মে চেম্বার জজ আদালত পূর্বের স্থগিতাদেশ স্থগিত করেন। আদালতের ওই আদেশের পরই জেলা প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।
ফরিদা খানম বলেন, “সরকারি জমি দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সরকারি জমি উদ্ধার করেছি এবং এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “সরকারি সম্পত্তি জনগণের সম্পদ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে অবৈধভাবে এসব জমি দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”
জেলা প্রশাসক বলেন, “এ অভিযান দখলদারদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা। বছরের পর বছর সরকারি জমি দখল করে যারা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে, যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেসব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।”
