চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

লাখাইয়ে প্রথমবারের মতো ট্রাইকোকম্পোস্ট সার উৎপাদন শুরু

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
লাখাইয়ে প্রথমবারের মতো ট্রাইকোকম্পোস্ট সার উৎপাদন শুরু

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে প্রথমবারের মতো ট্রাইকোকম্পোস্ট জৈব সার উৎপাদন শুরু হয়েছে। উপজেলার করাব ইউনিয়নের পূর্ব সিংহগ্রামের উদ্যোক্তা কৃষক মোহাম্মদ বাহার উদ্দিন নিজ উদ্যোগে এই উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে বুল্লাবাজার সংলগ্ন নিজ বাড়িতে বিভিন্ন জৈব উপাদানের সমন্বয়ে সার প্রস্তুত করা হয়। উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে, গোবর, কাঠের গুঁড়া, খৈল, চিটাগুড়, চায়ের পাতা, দেশি মুরগির বিষ্ঠা, নিমপাতা, কচুরিপানা, এবং ট্রাইকোডার্মা পাউডারসহ নানা প্রাকৃতিক উপকরণ।

উপকরণগুলো পর্যায়ক্রমে মিশিয়ে সেডে স্থাপিত রিং-এ রাখা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেন সিংহগ্রাম ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম। এছাড়া দিকনির্দেশনা দেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অমিত ভট্টাচার্য, মামুনুর রশীদ এবং ইকবাল হোসেন। সহায়তায় ছিলেন কৃষক মোহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস ও আবদুল হামিদ।

মোহাম্মদ বাহার উদ্দিন বলেন, “মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমি আগে থেকেই ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করে জমিতে ব্যবহার করছি এবং উদ্বৃত্ত সার বিক্রি করছি। কৃষি অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে জেনেছি, ট্রাইকোকম্পোস্ট সার আরও কার্যকর। এটি মাটির জৈব উপাদানের ঘাটতি পূরণ, পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, পিএইচ নিয়ন্ত্রণ, ছত্রাক দমন ও ফসলের হরমোন হিসেবে কাজ করে।”

তিনি জানান, মানসম্মত ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের জন্য ক্ষতিকর উপাদান এড়িয়ে দেশি প্রজাতির কাঠের গুঁড়া ব্যবহার করা হয়েছে। সফল হলে বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


লাখাইয়ে প্রথমবারের মতো ট্রাইকোকম্পোস্ট সার উৎপাদন শুরু

প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৫

featured Image

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে প্রথমবারের মতো ট্রাইকোকম্পোস্ট জৈব সার উৎপাদন শুরু হয়েছে। উপজেলার করাব ইউনিয়নের পূর্ব সিংহগ্রামের উদ্যোক্তা কৃষক মোহাম্মদ বাহার উদ্দিন নিজ উদ্যোগে এই উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে বুল্লাবাজার সংলগ্ন নিজ বাড়িতে বিভিন্ন জৈব উপাদানের সমন্বয়ে সার প্রস্তুত করা হয়। উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে, গোবর, কাঠের গুঁড়া, খৈল, চিটাগুড়, চায়ের পাতা, দেশি মুরগির বিষ্ঠা, নিমপাতা, কচুরিপানা, এবং ট্রাইকোডার্মা পাউডারসহ নানা প্রাকৃতিক উপকরণ।

উপকরণগুলো পর্যায়ক্রমে মিশিয়ে সেডে স্থাপিত রিং-এ রাখা হয়। এ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেন সিংহগ্রাম ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম। এছাড়া দিকনির্দেশনা দেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অমিত ভট্টাচার্য, মামুনুর রশীদ এবং ইকবাল হোসেন। সহায়তায় ছিলেন কৃষক মোহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস ও আবদুল হামিদ।

মোহাম্মদ বাহার উদ্দিন বলেন, “মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমি আগে থেকেই ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করে জমিতে ব্যবহার করছি এবং উদ্বৃত্ত সার বিক্রি করছি। কৃষি অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে জেনেছি, ট্রাইকোকম্পোস্ট সার আরও কার্যকর। এটি মাটির জৈব উপাদানের ঘাটতি পূরণ, পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, পিএইচ নিয়ন্ত্রণ, ছত্রাক দমন ও ফসলের হরমোন হিসেবে কাজ করে।”

তিনি জানান, মানসম্মত ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনের জন্য ক্ষতিকর উপাদান এড়িয়ে দেশি প্রজাতির কাঠের গুঁড়া ব্যবহার করা হয়েছে। সফল হলে বৃহৎ পরিসরে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত