রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রশাসন গঠনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধনে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আন্দোলনের এক বছর পূর্ণ হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে এখনো একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃস্থানীয় সদস্য বহাল আছেন। এতে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তাদের দাবি, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তির সিন্ডিকেটে অবস্থান প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার নীতির পরিপন্থী।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে গঠিত সিলেকশন বোর্ডেও আওয়ামীপন্থীদের প্রভাব থাকায় সুষ্ঠু নিয়োগ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা ও সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরা ১২ দফা দাবি পেশ করেছিলেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে ইউনিক কোডিং সিস্টেম চালুর দাবি অন্যতম। তবে এক বছর পার হলেও এ দাবির বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় তারা প্রশাসনের সদিচ্ছা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত সময়সীমাসহ একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বান জানান। তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রমকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে হলে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
পরিশেষে শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দেন, দাবি আদায় না হলে তারা ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৫
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)-এ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রশাসন গঠনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধনে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আন্দোলনের এক বছর পূর্ণ হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে এখনো একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃস্থানীয় সদস্য বহাল আছেন। এতে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তাদের দাবি, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তির সিন্ডিকেটে অবস্থান প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার নীতির পরিপন্থী।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগে গঠিত সিলেকশন বোর্ডেও আওয়ামীপন্থীদের প্রভাব থাকায় সুষ্ঠু নিয়োগ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে প্রশাসনের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা ও সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরা ১২ দফা দাবি পেশ করেছিলেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে ইউনিক কোডিং সিস্টেম চালুর দাবি অন্যতম। তবে এক বছর পার হলেও এ দাবির বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় তারা প্রশাসনের সদিচ্ছা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত সময়সীমাসহ একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার আহ্বান জানান। তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রমকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে হলে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
পরিশেষে শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দেন, দাবি আদায় না হলে তারা ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
