চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

রাতের আধারে রাজশাহীর ফসলি জমিতে পুকুর খনন, ক্ষতির মুখে কৃষি উৎপাদন

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
রাতের আধারে রাজশাহীর ফসলি জমিতে পুকুর খনন, ক্ষতির মুখে কৃষি উৎপাদন

রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া মাঠে রাতের আঁধারে ফসলি জমিতে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তিন ফসলি জমিতে পুকুর খনন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ হলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব জমিতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে পুকুর খনন চলছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণপাড়া মাঠে পাশাপাশি তিনটি পুকুর খনন করা হচ্ছে। এতে প্রায় ৪০ বিঘা আবাদি জমির পেঁয়াজ, ভুট্টা, ধান, কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে কৃষকরা পড়েছেন বিপাকে। পুকুর খননের ফলে শুধু ফসলের ক্ষতি নয়, ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট দেখা দেওয়ারও আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইতোমধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্ট উপজেলা এসিল্যান্ড কার্যালয়ে প্রায় ৩০০ কৃষক স্বাক্ষর করে একটি আবেদনপত্র জমা দিতে উদ্যোগ নিয়েছেন। ফসলি জমি রক্ষায় সবার সহযোগিতা কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধ করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, নইলে ফসলি জমির ভবিষ্যৎ চরম হুমকির মুখে পড়বে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


রাতের আধারে রাজশাহীর ফসলি জমিতে পুকুর খনন, ক্ষতির মুখে কৃষি উৎপাদন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৫

featured Image

রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া মাঠে রাতের আঁধারে ফসলি জমিতে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তিন ফসলি জমিতে পুকুর খনন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ হলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব জমিতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে পুকুর খনন চলছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণপাড়া মাঠে পাশাপাশি তিনটি পুকুর খনন করা হচ্ছে। এতে প্রায় ৪০ বিঘা আবাদি জমির পেঁয়াজ, ভুট্টা, ধান, কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারণে কৃষকরা পড়েছেন বিপাকে। পুকুর খননের ফলে শুধু ফসলের ক্ষতি নয়, ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট দেখা দেওয়ারও আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। ইতোমধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্ট উপজেলা এসিল্যান্ড কার্যালয়ে প্রায় ৩০০ কৃষক স্বাক্ষর করে একটি আবেদনপত্র জমা দিতে উদ্যোগ নিয়েছেন। ফসলি জমি রক্ষায় সবার সহযোগিতা কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধ করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, নইলে ফসলি জমির ভবিষ্যৎ চরম হুমকির মুখে পড়বে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত