রাজশাহীর কাদিরগঞ্জে ‘ডক্টর ইংলিশ’ কোচিং সেন্টারে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে অস্ত্র, গুলি এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাত দেড়টায় সেনাবাহিনীর ৪০ ইস্ট বেঙ্গল (মেকানাইজড) একটি দল দীর্ঘ এক মাসের গোয়েন্দা নজরদারির পর অভিযান শুরু করে। সকাল ৯টা থেকে সেন্টার ঘিরে রাখা হয়। পরে দুপুরে অভিযান চলাকালে আটক করা হয় কোচিং সেন্টারের মালিক মোন্তাসেবুল আলম (অনিন্দ্য) ও আরও দুইজন-মো. রবিন ও মো. ফয়সাল।
মোন্তাসেবুল আলম রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শফিউল আলমের ছেলে। এর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক রেজাউল করিম হত্যা মামলায় তিনি সন্দেহজনক আসামি ছিলেন।
অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে- তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি, সামরিক মানের দুরবিন ও স্নাইপার স্কোপ, ছয়টি দেশি অস্ত্র ও সাতটি বিদেশি ধারালো ড্যাগার, পাঁচটি উন্নত মানের ওয়াকিটকি সেট, একটি সামরিক মানের জিপিএস ও একটি টিজারগান, বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি কার্টিজ, বিস্ফোরক বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ছয়টি কম্পিউটার সেট, ৭,৪৪৫ টাকা, বিভিন্ন দেশি–বিদেশি মদ, ১১টি নাইট্রোজেন কার্টিজ।
পরে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এসব সরঞ্জাম নিষ্ক্রিয় করেছে।
অভিযানের সময় আটক রবিনের মা নাসরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাঁর ছেলে কিছুই জানে না এবং মাত্র এক মাস আগে কোচিংয়ে কাজ শুরু করেছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৫
রাজশাহীর কাদিরগঞ্জে ‘ডক্টর ইংলিশ’ কোচিং সেন্টারে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে অস্ত্র, গুলি এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাত দেড়টায় সেনাবাহিনীর ৪০ ইস্ট বেঙ্গল (মেকানাইজড) একটি দল দীর্ঘ এক মাসের গোয়েন্দা নজরদারির পর অভিযান শুরু করে। সকাল ৯টা থেকে সেন্টার ঘিরে রাখা হয়। পরে দুপুরে অভিযান চলাকালে আটক করা হয় কোচিং সেন্টারের মালিক মোন্তাসেবুল আলম (অনিন্দ্য) ও আরও দুইজন-মো. রবিন ও মো. ফয়সাল।
মোন্তাসেবুল আলম রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শফিউল আলমের ছেলে। এর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক রেজাউল করিম হত্যা মামলায় তিনি সন্দেহজনক আসামি ছিলেন।
অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে- তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি, সামরিক মানের দুরবিন ও স্নাইপার স্কোপ, ছয়টি দেশি অস্ত্র ও সাতটি বিদেশি ধারালো ড্যাগার, পাঁচটি উন্নত মানের ওয়াকিটকি সেট, একটি সামরিক মানের জিপিএস ও একটি টিজারগান, বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি কার্টিজ, বিস্ফোরক বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ছয়টি কম্পিউটার সেট, ৭,৪৪৫ টাকা, বিভিন্ন দেশি–বিদেশি মদ, ১১টি নাইট্রোজেন কার্টিজ।
পরে বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এসব সরঞ্জাম নিষ্ক্রিয় করেছে।
অভিযানের সময় আটক রবিনের মা নাসরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাঁর ছেলে কিছুই জানে না এবং মাত্র এক মাস আগে কোচিংয়ে কাজ শুরু করেছে।
