চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মুক্তিপণ দিয়েও মিলছে না মুক্তি! চট্টগ্রামে অপহৃত বোট ও ৩ জেলের খোঁজ নেই চার মাসেও

প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
মুক্তিপণ দিয়েও মিলছে না মুক্তি! চট্টগ্রামে অপহৃত বোট ও ৩ জেলের খোঁজ নেই চার মাসেও

চট্টগ্রামের ফিশারী ঘাট এলাকা থেকে অপহৃত ফিশিং বোট "এমভি গাউছে পাক" ও তার তিনজন জেলের খোঁজ নেই দীর্ঘ চার মাসেও। মুক্তিপণের অর্ধেক অর্থ—তিন লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও এখনও বোট ও জেলেদের ফেরত পায়নি পরিবার। ফলে নিখোঁজদের পরিবারে বইছে আতঙ্ক, উদ্বেগ ও কান্নার মাতম।

বাকলিয়া থানায় দায়ের করা একটি মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারির ১৮ বা ১৯ তারিখে ফিশারী ঘাটের নতুন বাজার এলাকা থেকে বোটটি সহ তিন জেলে নিখোঁজ হন। পরদিনই অজ্ঞাত নম্বর থেকে একটি ফোন কল আসে, যাতে দাবি করা হয়—তাদের অপহরণ করে আটকে রাখা হয়েছে এবং মুক্তির জন্য ১০ লাখ টাকা দিতে হবে।

পরে স্থানীয় কয়েকজনের মধ্যস্থতায় মুক্তিপণ কমিয়ে ৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। বোট মালিক মো. ফোরকান এ পর্যন্ত তিন লাখ টাকা পরিশোধ করলেও এখনও তার জেলে ও বোটের কোনো খোঁজ পাননি।

মো. ফোরকান বলেন, "আমার তিনজন জেলে ও বোটটি পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করা হয়েছে। মুক্তিপণের টাকা দেওয়ার পরেও অপহরণকারীরা কোনো তথ্য দেয়নি। আমি বাকলিয়া থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫-৬ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করেছি।"

এ বিষয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশ জানায়, মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ আশাবাদী, অচিরেই অপহৃত বোট ও তিন জেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে নিখোঁজ জেলেদের স্ত্রী ও স্বজনরা রয়েছেন চরম আতঙ্কে। একজন স্ত্রী বলেন, “আমার স্বামী বেঁচে আছে না মরে গেছে কিছুই জানি না। সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারছি না। দিনরাত শুধু কান্না করি।”

তারা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন—অপহৃতদের দ্রুত উদ্ধার করে যেন তাদের স্বজনদের ফেরত দেওয়া হয়।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


মুক্তিপণ দিয়েও মিলছে না মুক্তি! চট্টগ্রামে অপহৃত বোট ও ৩ জেলের খোঁজ নেই চার মাসেও

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৫

featured Image

চট্টগ্রামের ফিশারী ঘাট এলাকা থেকে অপহৃত ফিশিং বোট "এমভি গাউছে পাক" ও তার তিনজন জেলের খোঁজ নেই দীর্ঘ চার মাসেও। মুক্তিপণের অর্ধেক অর্থ—তিন লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও এখনও বোট ও জেলেদের ফেরত পায়নি পরিবার। ফলে নিখোঁজদের পরিবারে বইছে আতঙ্ক, উদ্বেগ ও কান্নার মাতম।

বাকলিয়া থানায় দায়ের করা একটি মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারির ১৮ বা ১৯ তারিখে ফিশারী ঘাটের নতুন বাজার এলাকা থেকে বোটটি সহ তিন জেলে নিখোঁজ হন। পরদিনই অজ্ঞাত নম্বর থেকে একটি ফোন কল আসে, যাতে দাবি করা হয়—তাদের অপহরণ করে আটকে রাখা হয়েছে এবং মুক্তির জন্য ১০ লাখ টাকা দিতে হবে।

পরে স্থানীয় কয়েকজনের মধ্যস্থতায় মুক্তিপণ কমিয়ে ৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। বোট মালিক মো. ফোরকান এ পর্যন্ত তিন লাখ টাকা পরিশোধ করলেও এখনও তার জেলে ও বোটের কোনো খোঁজ পাননি।

মো. ফোরকান বলেন, "আমার তিনজন জেলে ও বোটটি পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করা হয়েছে। মুক্তিপণের টাকা দেওয়ার পরেও অপহরণকারীরা কোনো তথ্য দেয়নি। আমি বাকলিয়া থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫-৬ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করেছি।"

এ বিষয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশ জানায়, মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ আশাবাদী, অচিরেই অপহৃত বোট ও তিন জেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে নিখোঁজ জেলেদের স্ত্রী ও স্বজনরা রয়েছেন চরম আতঙ্কে। একজন স্ত্রী বলেন, “আমার স্বামী বেঁচে আছে না মরে গেছে কিছুই জানি না। সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে পারছি না। দিনরাত শুধু কান্না করি।”

তারা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন—অপহৃতদের দ্রুত উদ্ধার করে যেন তাদের স্বজনদের ফেরত দেওয়া হয়।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত