চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মাদারীপুরে বাজি ফাটানো নিয়ে আবারও সংঘর্ষ, এএসপিসহ আহত অর্ধশত

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
মাদারীপুরে বাজি ফাটানো নিয়ে আবারও সংঘর্ষ, এএসপিসহ আহত অর্ধশত

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে আবারও ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই গ্রামবাসী। শনিবার (১২ এপ্রিল) ও রোববার (১৩ এপ্রিল) দুই দিন ধরে বদরপাশা ও পশ্চিম রাজৈর গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) জাহাঙ্গীর আলমসহ অন্তত অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ, দোকান ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চার ঘণ্টাব্যাপী রাজৈর উপজেলার বেপারীপাড়া মোড়ে দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে লিপ্ত হয় দুই গ্রামের লোকজন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কয়েক ঘণ্টা যৌথ অভিযান চালায়।

সংঘর্ষে ১২টি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। বদরপাশা গ্রামের উত্তেজিত লোকজন ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় চারজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলমের পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাজৈর থানার ওসিসহ আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য।

ওসি মোহাম্মদ মাসুদ খান বলেন, “পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এটি নিয়ে ইতোমধ্যে চার দফা সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ সাহসিকতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে। আমরা দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে কাজ করছি।”

এদিকে এই ঘটনার সূত্রপাত ঈদের পর ২ এপ্রিল রাজৈরের ফুচকা ব্রিজ এলাকায় বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে শুরু হয়। পরবর্তীতে ৩ এপ্রিল মারামারির ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়, যার জের ধরেই দুই পক্ষের উত্তেজনা বেড়েই চলেছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


মাদারীপুরে বাজি ফাটানো নিয়ে আবারও সংঘর্ষ, এএসপিসহ আহত অর্ধশত

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৫

featured Image

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে আবারও ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই গ্রামবাসী। শনিবার (১২ এপ্রিল) ও রোববার (১৩ এপ্রিল) দুই দিন ধরে বদরপাশা ও পশ্চিম রাজৈর গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) জাহাঙ্গীর আলমসহ অন্তত অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ, দোকান ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চার ঘণ্টাব্যাপী রাজৈর উপজেলার বেপারীপাড়া মোড়ে দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে লিপ্ত হয় দুই গ্রামের লোকজন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কয়েক ঘণ্টা যৌথ অভিযান চালায়।

সংঘর্ষে ১২টি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। বদরপাশা গ্রামের উত্তেজিত লোকজন ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় চারজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলমের পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাজৈর থানার ওসিসহ আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য।

ওসি মোহাম্মদ মাসুদ খান বলেন, “পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এটি নিয়ে ইতোমধ্যে চার দফা সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ সাহসিকতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে। আমরা দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে কাজ করছি।”

এদিকে এই ঘটনার সূত্রপাত ঈদের পর ২ এপ্রিল রাজৈরের ফুচকা ব্রিজ এলাকায় বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে শুরু হয়। পরবর্তীতে ৩ এপ্রিল মারামারির ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়, যার জের ধরেই দুই পক্ষের উত্তেজনা বেড়েই চলেছে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত