চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় থমকে আছে ঢাকা-সিলেট ৬ লেন মহাসড়ক প্রকল্প

প্রকাশ : ০১ মে ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় থমকে আছে ঢাকা-সিলেট ৬ লেন মহাসড়ক প্রকল্প

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর অংশে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতায় থমকে রয়েছে। প্রকল্পটির কাজ ২০২২ সালে শুরু হলেও এখনও বিজয়নগর উপজেলার অধিগ্রহণযোগ্য জমির ৮ ধারা নোটিশ জারি না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে তীব্র হতাশা ও মানসিক চাপ বিরাজ করছে।

জানা গেছে, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের অধিগ্রহণযোগ্য মৌজাগুলোর জন্য ৭ ধারা নোটিশ জারি করা হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ৮ ধারা নোটিশ দেওয়া হয়নি। এদিকে রাস্তার কিছু অংশে কাজ চললেও নতুন অধিগ্রহণযোগ্য জমির অংশে কাজ থমকে আছে। খালি জায়গা, পুকুর ও কৃষিজমি ভরাট করে এগোনো হলেও ঘরবাড়ি থাকা অংশে কাজ বন্ধ রয়েছে ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার কারণে।

ভুক্তভোগী গাছতলা গ্রামের মোঃ নাজমুল হোসেন বলেন, "এত বছর হয়ে গেছে, এখনও ফাইনাল নোটিশ দেয়নি। আবার কাজও শুরু করেছে—গাছ কেটে, পুকুর ভরাট করে নিচ্ছে, অথচ আমরা ক্ষতিপূরণ কিছুই পাইনি। আমার বাড়ির জমির বাজার মূল্য এখন ১০ লাখ টাকা শতাংশ, সরকার দিতে চায় মাত্র ১ লাখ—এই টাকায় ঘরবাড়ি করবো কীভাবে?"

আলীনগর গ্রামের আরেক ভুক্তভোগী মোঃ সুমন জানান, "তিন বছর ধরে শুধু বলা হচ্ছে—দিচ্ছি, দিবো। ডিসি অফিসে গেলে বলে, কয়েকদিন পর হবে। আমরা দুশ্চিন্তায় ঘুমাতে পারি না।"

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জেসমিন সুলতানা বলেন, “বারবার কর্মকর্তাদের বদলির কারণে কিছুটা সময় লাগছে। লোকবল সংকট থাকলেও আমি নির্ধারিত সময়ের বাইরেও কাজ করছি। খুব শিগগিরই ৮ ধারা নোটিশ জারি হবে বলে আশা করছি।”

স্থানীয়দের দাবি, ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও দ্রুত নোটিশ জারি করে রাস্তার কাজে গতি আনতে হবে। অন্যথায় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ধীরগতির কারণে আরও ভোগান্তির শিকার হবে সাধারণ মানুষ ও দেশীয় অর্থনীতি।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় থমকে আছে ঢাকা-সিলেট ৬ লেন মহাসড়ক প্রকল্প

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৫

featured Image

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর অংশে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতায় থমকে রয়েছে। প্রকল্পটির কাজ ২০২২ সালে শুরু হলেও এখনও বিজয়নগর উপজেলার অধিগ্রহণযোগ্য জমির ৮ ধারা নোটিশ জারি না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে তীব্র হতাশা ও মানসিক চাপ বিরাজ করছে।

জানা গেছে, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের অধিগ্রহণযোগ্য মৌজাগুলোর জন্য ৭ ধারা নোটিশ জারি করা হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ৮ ধারা নোটিশ দেওয়া হয়নি। এদিকে রাস্তার কিছু অংশে কাজ চললেও নতুন অধিগ্রহণযোগ্য জমির অংশে কাজ থমকে আছে। খালি জায়গা, পুকুর ও কৃষিজমি ভরাট করে এগোনো হলেও ঘরবাড়ি থাকা অংশে কাজ বন্ধ রয়েছে ক্ষতিপূরণ না পাওয়ার কারণে।

ভুক্তভোগী গাছতলা গ্রামের মোঃ নাজমুল হোসেন বলেন, "এত বছর হয়ে গেছে, এখনও ফাইনাল নোটিশ দেয়নি। আবার কাজও শুরু করেছে—গাছ কেটে, পুকুর ভরাট করে নিচ্ছে, অথচ আমরা ক্ষতিপূরণ কিছুই পাইনি। আমার বাড়ির জমির বাজার মূল্য এখন ১০ লাখ টাকা শতাংশ, সরকার দিতে চায় মাত্র ১ লাখ—এই টাকায় ঘরবাড়ি করবো কীভাবে?"

আলীনগর গ্রামের আরেক ভুক্তভোগী মোঃ সুমন জানান, "তিন বছর ধরে শুধু বলা হচ্ছে—দিচ্ছি, দিবো। ডিসি অফিসে গেলে বলে, কয়েকদিন পর হবে। আমরা দুশ্চিন্তায় ঘুমাতে পারি না।"

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জেসমিন সুলতানা বলেন, “বারবার কর্মকর্তাদের বদলির কারণে কিছুটা সময় লাগছে। লোকবল সংকট থাকলেও আমি নির্ধারিত সময়ের বাইরেও কাজ করছি। খুব শিগগিরই ৮ ধারা নোটিশ জারি হবে বলে আশা করছি।”

স্থানীয়দের দাবি, ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও দ্রুত নোটিশ জারি করে রাস্তার কাজে গতি আনতে হবে। অন্যথায় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ধীরগতির কারণে আরও ভোগান্তির শিকার হবে সাধারণ মানুষ ও দেশীয় অর্থনীতি।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত