‘প্রযুক্তি নির্ভর যুবশক্তি, বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্বে অগ্রগতি’ এ স্লোগানে সুনামগঞ্জে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সনদপত্র, যুব ঋণের চেক ও ক্রেস্ট বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।
সঞ্চালনায় ছিলেন রূপান্তর আস্তা প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী লাভলী সরকার লাবণ্য এবং সদর উপজেলা যুব ফোরামের আহ্বায়ক স্বর্ণালি আক্তার রিমা।
স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শাহনুর আলম।
আলোচনা সভা শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৭ যুবকের মাঝে ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকার ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া সফল উদ্যোক্তা, সফল সংগঠন ও সফল সংগঠক নির্বাচিতদের মধ্যে ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
জেলায় সফল সংগঠন নির্বাচিত হয়েছে ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের যুব ও সমাজকল্যাণ সংগঠন, সফল উদ্যোক্তা হয়েছেন জামালগঞ্জের আরিফ বাদশা, সফল সংগঠক নির্বাচিত হয়েছেন শহরের বড়পাড়া এলাকার এনামুল হক।
উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক মঞ্জুর আলী, শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠন স্বপ্ন সিঁড়ি যুব সংঘ, শ্রেষ্ঠ যুব উদ্যোক্তা শাহানা আক্তার এবং শ্রেষ্ঠ যুব আত্মকর্মী হয়েছেন রিনা আক্তার।
এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে অংশ নেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সমর কুমার পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষসহ বিভিন্ন উপজেলার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও যুব উদ্যোক্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, প্রযুক্তির সাথে দক্ষতার সমন্বয় ঘটাতে না পারলে শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব হবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি যুবদের প্রযুক্তি নির্ভর হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার লার্নিং, আর্নিং, মোবাইল অ্যাপস্ উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যাতে তরুণরা শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার নয়, বরং প্রযুক্তির উদ্ভাবক হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৫
‘প্রযুক্তি নির্ভর যুবশক্তি, বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্বে অগ্রগতি’ এ স্লোগানে সুনামগঞ্জে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সনদপত্র, যুব ঋণের চেক ও ক্রেস্ট বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।
সঞ্চালনায় ছিলেন রূপান্তর আস্তা প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী লাভলী সরকার লাবণ্য এবং সদর উপজেলা যুব ফোরামের আহ্বায়ক স্বর্ণালি আক্তার রিমা।
স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শাহনুর আলম।
আলোচনা সভা শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৭ যুবকের মাঝে ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকার ঋণের চেক বিতরণ করা হয়। এছাড়া সফল উদ্যোক্তা, সফল সংগঠন ও সফল সংগঠক নির্বাচিতদের মধ্যে ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
জেলায় সফল সংগঠন নির্বাচিত হয়েছে ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের যুব ও সমাজকল্যাণ সংগঠন, সফল উদ্যোক্তা হয়েছেন জামালগঞ্জের আরিফ বাদশা, সফল সংগঠক নির্বাচিত হয়েছেন শহরের বড়পাড়া এলাকার এনামুল হক।
উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক মঞ্জুর আলী, শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠন স্বপ্ন সিঁড়ি যুব সংঘ, শ্রেষ্ঠ যুব উদ্যোক্তা শাহানা আক্তার এবং শ্রেষ্ঠ যুব আত্মকর্মী হয়েছেন রিনা আক্তার।
এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে অংশ নেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সমর কুমার পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষসহ বিভিন্ন উপজেলার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও যুব উদ্যোক্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, প্রযুক্তির সাথে দক্ষতার সমন্বয় ঘটাতে না পারলে শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব হবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি যুবদের প্রযুক্তি নির্ভর হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার লার্নিং, আর্নিং, মোবাইল অ্যাপস্ উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যাতে তরুণরা শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার নয়, বরং প্রযুক্তির উদ্ভাবক হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে।
