চেক পোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ৬

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ৬
আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের বিমান হামলা চালানো হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কান্দাহার বিমানবন্দরের কাছে কাম এয়ার নামের বেসরকারি উড়োজাহাজে জ্বালানি তেলের ডিপো। একইসঙ্গে হামলা হয়েছে কাবুল ও নানগারহার প্রদেশেও। আফগানিস্তানের তালেবান সরকার জানিয়েছে, হামলায় শিশুসহ ৬ জন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। ৩৫ বছর বয়সী মুরসেলিন, যিনি কাবুলে স্ত্রী ও পাঁচ সন্তানসহ বসবাস করেন, হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, “ঘুম ভেঙে গেল। চারপাশ ধুলায় ঢেকে ছিল। কয়েক মিনিট পর সন্তানদের চিৎকার শুনতে পেলাম, তারা ভয়ে কাঁপছিল।” হামলায় তার বোন ও দুই শিশুসন্তানও আহত হয়েছেন। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ পাকিস্তানের এই হামলার জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি জানান, তেলের ওই ডিপো থেকে বেসরকারি উড়োজাহাজ ও জাতিসংঘের উড়োজাহাজ তেল সরবরাহ পায়। “মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে অঞ্চলে অস্থিরতা রয়েছে। পাকিস্তানের এই হামলা পরিস্থিতি আরও উত্তেজিত করবে,” মুজাহিদ বলেন। এর আগে গত মাসে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংঘাত হয়। ইসলামাবাদ প্রথমে হামলা চালায়, এরপর কাবুল পাল্টা হামলা চালায় এবং বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। চীনের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার রাতে নতুন হামলার মাধ্যমে উত্তেজনা আবারও বেড়ে গেছে পাকিস্তানের সামরিক সূত্র জানিয়েছে, কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া প্রদেশের চারটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। কান্দাহারে তেলের ডিপোতে হামলার কথা স্বীকার করেছে তারা। তবে পাকিস্তান সরকার থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ৬

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬

featured Image
আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের বিমান হামলা চালানো হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কান্দাহার বিমানবন্দরের কাছে কাম এয়ার নামের বেসরকারি উড়োজাহাজে জ্বালানি তেলের ডিপো। একইসঙ্গে হামলা হয়েছে কাবুল ও নানগারহার প্রদেশেও। আফগানিস্তানের তালেবান সরকার জানিয়েছে, হামলায় শিশুসহ ৬ জন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। ৩৫ বছর বয়সী মুরসেলিন, যিনি কাবুলে স্ত্রী ও পাঁচ সন্তানসহ বসবাস করেন, হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, “ঘুম ভেঙে গেল। চারপাশ ধুলায় ঢেকে ছিল। কয়েক মিনিট পর সন্তানদের চিৎকার শুনতে পেলাম, তারা ভয়ে কাঁপছিল।” হামলায় তার বোন ও দুই শিশুসন্তানও আহত হয়েছেন। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ পাকিস্তানের এই হামলার জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি জানান, তেলের ওই ডিপো থেকে বেসরকারি উড়োজাহাজ ও জাতিসংঘের উড়োজাহাজ তেল সরবরাহ পায়। “মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে অঞ্চলে অস্থিরতা রয়েছে। পাকিস্তানের এই হামলা পরিস্থিতি আরও উত্তেজিত করবে,” মুজাহিদ বলেন। এর আগে গত মাসে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংঘাত হয়। ইসলামাবাদ প্রথমে হামলা চালায়, এরপর কাবুল পাল্টা হামলা চালায় এবং বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। চীনের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত হয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার রাতে নতুন হামলার মাধ্যমে উত্তেজনা আবারও বেড়ে গেছে পাকিস্তানের সামরিক সূত্র জানিয়েছে, কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া প্রদেশের চারটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। কান্দাহারে তেলের ডিপোতে হামলার কথা স্বীকার করেছে তারা। তবে পাকিস্তান সরকার থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত