চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

দোহারে গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আনন্দ ও বিজয় উল্লাস

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
দোহারে গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আনন্দ ও বিজয় উল্লাস

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের এক বছরপূর্তি উপলক্ষে ঢাকার দোহার উপজেলায় আনন্দ ও বিজয় উল্লাস করেছে উপজেলা বিএনপি। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট ২০২৫) করমআলী মোড়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের শুরুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। এ দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক। তিনি বলেন, “একটি দেশ একবারই স্বাধীন হয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমেই আমরা লাল-সবুজের পতাকাবাহী বাংলাদেশ পেয়েছি। তেমনি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছিল একটি নতুন মুক্তির সূচনা। এ আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, বিএনপি তাদের পরিবারকে সব সময় পাশে পেয়েছে এবং আগামীতেও পাবে।”

তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যেসব পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের পাশে দাঁড়ানো বিএনপির দায়িত্ব। এ দায়িত্ব আমরা পালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”

আয়োজনে স্থানীয় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও মিছিল নিয়ে করমআলী মোড়ে জড়ো হন। এতে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহিলা দলের নেতাকর্মীরাও অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


দোহারে গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আনন্দ ও বিজয় উল্লাস

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৫

featured Image

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের এক বছরপূর্তি উপলক্ষে ঢাকার দোহার উপজেলায় আনন্দ ও বিজয় উল্লাস করেছে উপজেলা বিএনপি। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট ২০২৫) করমআলী মোড়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের শুরুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে। এ দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক। তিনি বলেন, “একটি দেশ একবারই স্বাধীন হয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমেই আমরা লাল-সবুজের পতাকাবাহী বাংলাদেশ পেয়েছি। তেমনি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছিল একটি নতুন মুক্তির সূচনা। এ আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, বিএনপি তাদের পরিবারকে সব সময় পাশে পেয়েছে এবং আগামীতেও পাবে।”

তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যেসব পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের পাশে দাঁড়ানো বিএনপির দায়িত্ব। এ দায়িত্ব আমরা পালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”

আয়োজনে স্থানীয় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও মিছিল নিয়ে করমআলী মোড়ে জড়ো হন। এতে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহিলা দলের নেতাকর্মীরাও অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত