খুলনার তেরখাদা উপজেলায় পচা-বাসি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির অভিযোগে এক হোটেল মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১৫ মে) দুপুরে উপজেলা সদরের কাটেংগা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন তেরখাদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আঁখি শেখ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাহেব হোটেলে অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সংরক্ষিত পচা ও বাসি খাবার ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। এ অপরাধে হোটেল মালিক সাহেব আলীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোটেল মালিকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ড্রামে ভরা পচা নারী ভুড়ি ও দুর্গন্ধযুক্ত মাংস উদ্ধার করা হয়। জনসম্মুখে তা মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়।
এ সময় হোটেল মালিক সাহেব আলী ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার মুচলেকা প্রদান করেন। অভিযানে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হাসানুর রহমান ও থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আঁখি শেখ জানান, “উপজেলার সকল খাবার হোটেল নিয়মিত নজরদারির আওতায় থাকবে। কেউ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি বা বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৫
খুলনার তেরখাদা উপজেলায় পচা-বাসি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির অভিযোগে এক হোটেল মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১৫ মে) দুপুরে উপজেলা সদরের কাটেংগা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন তেরখাদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আঁখি শেখ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাহেব হোটেলে অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সংরক্ষিত পচা ও বাসি খাবার ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। এ অপরাধে হোটেল মালিক সাহেব আলীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোটেল মালিকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ড্রামে ভরা পচা নারী ভুড়ি ও দুর্গন্ধযুক্ত মাংস উদ্ধার করা হয়। জনসম্মুখে তা মাটিতে পুঁতে ধ্বংস করা হয়।
এ সময় হোটেল মালিক সাহেব আলী ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার মুচলেকা প্রদান করেন। অভিযানে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হাসানুর রহমান ও থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আঁখি শেখ জানান, “উপজেলার সকল খাবার হোটেল নিয়মিত নজরদারির আওতায় থাকবে। কেউ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি বা বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
