চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

জামালপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
জামালপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জামালপুরে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জিয়াউল হক নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৬ মে) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রেজাউল আমিন শামীম জানান, ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার দিঘলাকান্দি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত জিয়াউল হক (পিতা মৃত নুরল মন্ডল) একই এলাকার বাসিন্দা এবং একটি মনোহারী দোকানের মালিক।

ঘটনার দিন তিনি চানাচুর দেয়ার প্রলোভনে পাঁচ বছর বয়সী শিশুটিকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে শিশুটির নানা মনির উদ্দিন বাদী হয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন।

২০২২ সালের ১৪ আগস্ট আদালতে অভিযোগ গঠনের পর, মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক রায় প্রদান করেন।

রায়ে বলা হয়, শিশু ধর্ষণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় জিয়াউল হককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালত আদেশে উল্লেখ করেন, জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী শিশুর লালন-পালন ও শিক্ষার খাতে ব্যয় করা হবে।

পিপি রেজাউল আমিন শামীম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট রেজাউল আমিন শামীম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম তরফদার।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


জামালপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৫

featured Image

জামালপুরে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জিয়াউল হক নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৬ মে) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রেজাউল আমিন শামীম জানান, ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার দিঘলাকান্দি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত জিয়াউল হক (পিতা মৃত নুরল মন্ডল) একই এলাকার বাসিন্দা এবং একটি মনোহারী দোকানের মালিক।

ঘটনার দিন তিনি চানাচুর দেয়ার প্রলোভনে পাঁচ বছর বয়সী শিশুটিকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে শিশুটির নানা মনির উদ্দিন বাদী হয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন।

২০২২ সালের ১৪ আগস্ট আদালতে অভিযোগ গঠনের পর, মামলায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক রায় প্রদান করেন।

রায়ে বলা হয়, শিশু ধর্ষণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় জিয়াউল হককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালত আদেশে উল্লেখ করেন, জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী শিশুর লালন-পালন ও শিক্ষার খাতে ব্যয় করা হবে।

পিপি রেজাউল আমিন শামীম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট রেজাউল আমিন শামীম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম তরফদার।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত