চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

জয়পুরহাটে ঈদগাহ মাঠ বিক্রির অভিযোগে ক্ষোভ, মানববন্ধন স্থানীয়দের

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
জয়পুরহাটে ঈদগাহ মাঠ বিক্রির অভিযোগে ক্ষোভ, মানববন্ধন স্থানীয়দের

জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল ইউনিয়নের শালগাঁও-জয়হার পুকুরপাড় এলাকার ঈদগাহ মাঠটি গোপনে স্ত্রীর নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

রোববার বেলা ১১টায় স্থানীয় শতাধিক বাসিন্দা ঈদগাহ মাঠে মানববন্ধন করে মাঠটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। মানববন্ধনে ২০০১ সালে দান করা ৩৮ শতক জমির রেজিস্ট্রি দলিলের জাবেদা কপি উপস্থাপন করা হয়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মৃত শরিফ উদ্দিন ও ফজলুর রহমান কর্তৃক দানকৃত জমিতে ২০০২ সাল থেকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করে আসছিলেন এলাকাবাসী। তবে সম্প্রতি জানা যায়, ফজলুল করিম মাঠটি তাঁর স্ত্রী মোছা. ছালমা পারভীনের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন এবং মাঠের মাটি কেটে তা ইটভাটায় বিক্রি করেছেন।

জমির দলিলে দেখা যায়, ৩৮ শতক জমি ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। উল্লেখ রয়েছে, ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নের জন্য অন্যত্র জমি কেনার উদ্দেশ্যে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর পরিচালনা কমিটির রেজল্যুশনের মাধ্যমে।

তবে স্থানীয়রা এ সিদ্ধান্তকে জালিয়াতি ও বেআইনি বলে দাবি করছেন। মরহুম শরিফ উদ্দিনের নাতি আবদুল আলিম বলেন, “৩৮ শতক জমির বাজারমূল্য ১৭ লাখ টাকারও বেশি। অথচ এটি মাত্র ২.৮৭ লাখ টাকায় গোপনে বিক্রি করা হয়েছে।”

ঈদগাহ মাঠে ৫ শতক জমি দানকারী ফজলুর রহমান বলেন, “আমি দান করেছিলাম ধর্মীয় কাজে ব্যবহারের জন্য, এখন দেখছি তা ফসলি জমিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। বিষয়টি মেনে নেওয়া যায় না।”

ফজলুল করিমের বক্তব্য জানতে তাঁর বাড়িতে গেলে কেউ দরজা খোলেননি। তবে স্থানীয়রা জানান, কিছুক্ষণ আগেই তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


জয়পুরহাটে ঈদগাহ মাঠ বিক্রির অভিযোগে ক্ষোভ, মানববন্ধন স্থানীয়দের

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৫

featured Image

জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল ইউনিয়নের শালগাঁও-জয়হার পুকুরপাড় এলাকার ঈদগাহ মাঠটি গোপনে স্ত্রীর নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিমের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

রোববার বেলা ১১টায় স্থানীয় শতাধিক বাসিন্দা ঈদগাহ মাঠে মানববন্ধন করে মাঠটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। মানববন্ধনে ২০০১ সালে দান করা ৩৮ শতক জমির রেজিস্ট্রি দলিলের জাবেদা কপি উপস্থাপন করা হয়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মৃত শরিফ উদ্দিন ও ফজলুর রহমান কর্তৃক দানকৃত জমিতে ২০০২ সাল থেকে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করে আসছিলেন এলাকাবাসী। তবে সম্প্রতি জানা যায়, ফজলুল করিম মাঠটি তাঁর স্ত্রী মোছা. ছালমা পারভীনের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন এবং মাঠের মাটি কেটে তা ইটভাটায় বিক্রি করেছেন।

জমির দলিলে দেখা যায়, ৩৮ শতক জমি ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। উল্লেখ রয়েছে, ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নের জন্য অন্যত্র জমি কেনার উদ্দেশ্যে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর পরিচালনা কমিটির রেজল্যুশনের মাধ্যমে।

তবে স্থানীয়রা এ সিদ্ধান্তকে জালিয়াতি ও বেআইনি বলে দাবি করছেন। মরহুম শরিফ উদ্দিনের নাতি আবদুল আলিম বলেন, “৩৮ শতক জমির বাজারমূল্য ১৭ লাখ টাকারও বেশি। অথচ এটি মাত্র ২.৮৭ লাখ টাকায় গোপনে বিক্রি করা হয়েছে।”

ঈদগাহ মাঠে ৫ শতক জমি দানকারী ফজলুর রহমান বলেন, “আমি দান করেছিলাম ধর্মীয় কাজে ব্যবহারের জন্য, এখন দেখছি তা ফসলি জমিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। বিষয়টি মেনে নেওয়া যায় না।”

ফজলুল করিমের বক্তব্য জানতে তাঁর বাড়িতে গেলে কেউ দরজা খোলেননি। তবে স্থানীয়রা জানান, কিছুক্ষণ আগেই তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত