খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত চলমান একমাত্র সড়কটি এখন খানাখন্দে ভরা মরনফাঁদে পরিণত হয়েছে। নিয়মিত খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তের কারণে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। বিকল্প কোনো সড়কের অভাবে সাধারণ মানুষ ও পরিবহন ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়েই এ অবস্থা সহ্য করছেন।
প্রতিবছর বর্ষাকালে সড়কের এই করুণ দশা সৃষ্টি হয়। প্রতি বছর কিছুটা সংস্কার হলেও তা অল্পদিনের মধ্যেই আবার ভেঙে পড়ে। সাম্প্রতিক সংস্কারকাজ শেষ হতেই আবার সড়কটি ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে সড়কটি আলোহীন হওয়ায় ভ্যান, সাইকেল, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যেমন কুদিরগাছতলা মোড়, লকপুর এলাকা, কাটাখালি মোড়, শ্যামবাগাও, চুলকাঠি, বিমানবন্দর সন্নিকটে গর্ত-খানাখন্দের মাত্রা বেড়েছে। ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কের বেহাল দশা আরও তীব্র হচ্ছে।
সড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়। যানবাহনের চাকা ও যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। চালকরা জীবনের নিরাপত্তায় শঙ্কিত। পথচারীরাও সময় ও অর্থ নষ্টের পাশাপাশি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম জানান, বর্ষাকালে টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কের বটতলা থেকে দিগরাজ পর্যন্ত অংশ খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। বাগেরহাট সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে কাজ চলছে এবং আশা করা যায়, আগামী সপ্তাহের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হবে। দিগরাজ থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত সড়কের দায়িত্ব মোংলা বন্দর কতৃপক্ষের।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৫
খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত চলমান একমাত্র সড়কটি এখন খানাখন্দে ভরা মরনফাঁদে পরিণত হয়েছে। নিয়মিত খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তের কারণে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। বিকল্প কোনো সড়কের অভাবে সাধারণ মানুষ ও পরিবহন ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়েই এ অবস্থা সহ্য করছেন।
প্রতিবছর বর্ষাকালে সড়কের এই করুণ দশা সৃষ্টি হয়। প্রতি বছর কিছুটা সংস্কার হলেও তা অল্পদিনের মধ্যেই আবার ভেঙে পড়ে। সাম্প্রতিক সংস্কারকাজ শেষ হতেই আবার সড়কটি ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়ে গেছে। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে সড়কটি আলোহীন হওয়ায় ভ্যান, সাইকেল, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যেমন কুদিরগাছতলা মোড়, লকপুর এলাকা, কাটাখালি মোড়, শ্যামবাগাও, চুলকাঠি, বিমানবন্দর সন্নিকটে গর্ত-খানাখন্দের মাত্রা বেড়েছে। ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কের বেহাল দশা আরও তীব্র হচ্ছে।
সড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়। যানবাহনের চাকা ও যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। চালকরা জীবনের নিরাপত্তায় শঙ্কিত। পথচারীরাও সময় ও অর্থ নষ্টের পাশাপাশি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম জানান, বর্ষাকালে টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কের বটতলা থেকে দিগরাজ পর্যন্ত অংশ খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। বাগেরহাট সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে কাজ চলছে এবং আশা করা যায়, আগামী সপ্তাহের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হবে। দিগরাজ থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত সড়কের দায়িত্ব মোংলা বন্দর কতৃপক্ষের।
