চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

খুলনা ওয়েস্টার্ন ইন থেকে উদ্ধার মৃত নারীর পরিচয় মিলেনি ২৫ দিনেও, থমকে গেছে তদন্ত

প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
খুলনা ওয়েস্টার্ন ইন থেকে উদ্ধার মৃত নারীর পরিচয় মিলেনি ২৫ দিনেও, থমকে গেছে তদন্ত

খুলনার হোটেল ওয়েস্টার্ন ইন থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর মৃত্যুর ২৫ দিন পেরিয়ে গেলেও তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। ফলে থমকে গেছে তদন্ত কার্যক্রম, উঠেছে নানা প্রশ্ন।

গত ৪ জুলাই (শুক্রবার) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর ওয়েস্টার্ন ইন হোটেলের তৃতীয় তলার ২০৮ নম্বর কক্ষ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই কক্ষ থেকে পুলিশ বেশ কয়েকটি সিমকার্ড, দুই পাতা ঘুমের ওষুধ ও একাধিক জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি উদ্ধার করে। একটি জন্মনিবন্ধনে নিহত নারীর নাম উল্লেখ ছিল "শান্তা ইসলাম" এবং ঠিকানাও ছিল, তবে পুলিশ সেখানে গিয়ে তার কোনো পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। স্থানীয়রাও তাকে চিনতে পারেননি।

খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানোয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, “মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদলি হওয়ায় তদন্তের গতিতে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। নিহতের তথ্য সারাদেশের বিভিন্ন থানায় পাঠানো হয়েছে, কিন্তু এখনো কোনো সাড়া মেলেনি।”

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আবু তারেক জানান, “সিআইডি মৃত নারীর ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেও তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি, ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কি না, তা-ও ময়নাতদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। রিপোর্টে হত্যার আলামত মিললে অপমৃত্যু মামলা থেকে তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে।”

হোটেল কক্ষ থেকে লাশ উদ্ধারের পর নগরীতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরদিন লাশটি আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম কর্তৃক দাফন করা হয়।

নিহত নারীর পরিচয় ও মৃত্যুরহস্য এখনও অজানা থাকায়, সংশ্লিষ্ট মহলে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


খুলনা ওয়েস্টার্ন ইন থেকে উদ্ধার মৃত নারীর পরিচয় মিলেনি ২৫ দিনেও, থমকে গেছে তদন্ত

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৫

featured Image

খুলনার হোটেল ওয়েস্টার্ন ইন থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর মৃত্যুর ২৫ দিন পেরিয়ে গেলেও তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। ফলে থমকে গেছে তদন্ত কার্যক্রম, উঠেছে নানা প্রশ্ন।

গত ৪ জুলাই (শুক্রবার) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর ওয়েস্টার্ন ইন হোটেলের তৃতীয় তলার ২০৮ নম্বর কক্ষ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই কক্ষ থেকে পুলিশ বেশ কয়েকটি সিমকার্ড, দুই পাতা ঘুমের ওষুধ ও একাধিক জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি উদ্ধার করে। একটি জন্মনিবন্ধনে নিহত নারীর নাম উল্লেখ ছিল "শান্তা ইসলাম" এবং ঠিকানাও ছিল, তবে পুলিশ সেখানে গিয়ে তার কোনো পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি। স্থানীয়রাও তাকে চিনতে পারেননি।

খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানোয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, “মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদলি হওয়ায় তদন্তের গতিতে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। নিহতের তথ্য সারাদেশের বিভিন্ন থানায় পাঠানো হয়েছে, কিন্তু এখনো কোনো সাড়া মেলেনি।”

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আবু তারেক জানান, “সিআইডি মৃত নারীর ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেও তার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনো পাওয়া যায়নি, ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কি না, তা-ও ময়নাতদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। রিপোর্টে হত্যার আলামত মিললে অপমৃত্যু মামলা থেকে তা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে।”

হোটেল কক্ষ থেকে লাশ উদ্ধারের পর নগরীতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরদিন লাশটি আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম কর্তৃক দাফন করা হয়।

নিহত নারীর পরিচয় ও মৃত্যুরহস্য এখনও অজানা থাকায়, সংশ্লিষ্ট মহলে পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত