চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

খুলনায় সড়কের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
খুলনায় সড়কের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

খুলনা মহানগরীর গল্লামারী মোড়ে সড়কের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও বাজার উচ্ছেদ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। রোববার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে ব্রিজসংলগ্ন দুই পাশে মোট ১৭৩টি অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।

সড়ক বিভাগের বুলডোজার, পে-লোডার, বড় স্কেবেটরসহ প্রায় দুই ডজন শ্রমিক ও কর্মী এই অভিযানে অংশ নেন। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা পীযূষ চন্দ্র দে।

তিনি বলেন, “গল্লামারী ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ১.২০ কিলোমিটার রাস্তা থেকে কাঁচা, আধাপাকা ও পাকা মিলিয়ে ১৭৩টি অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করেছি। ব্রিজ নির্মাণকাজ নির্বিঘ্ন রাখতে আমাদের এই উদ্যোগ। মালামাল রাখার জায়গা ও যাত্রী চলাচলে যাতে সমস্যা না হয়, সেজন্য জায়গাগুলো মুক্ত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “খুলনার মানুষ খুবই সহানুভূতিশীল। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকরা কোনো প্রকার বাধা না দিয়ে আমাদের কাজে সহযোগিতা করেছেন। এজন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।”

গল্লামারী বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, “ব্রিজটি দ্রুত নির্মাণের দাবিতে আমরা দোকান মালিকদের অবৈধ স্থাপনা সরাতে অনুরোধ করেছি। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ভোগান্তিতে ছিলেন। স্কুলগামী শিশু ও সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে, সেটিই আমাদের চাওয়া।”

সওজ জানায়, এই উচ্ছেদ অভিযান আজ ও আগামীকালও চলবে। প্রয়োজনে সময় আরও বাড়ানো হতে পারে। অভিযান শুরুর আগে বারবার মাইকিং ও নোটিশের মাধ্যমে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছিল।

এই কাজে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ সক্রিয় সহযোগিতা করেছে বলে জানিয়েছে সড়ক বিভাগ।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


খুলনায় সড়কের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৫

featured Image

খুলনা মহানগরীর গল্লামারী মোড়ে সড়কের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও বাজার উচ্ছেদ করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। রোববার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে ব্রিজসংলগ্ন দুই পাশে মোট ১৭৩টি অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।

সড়ক বিভাগের বুলডোজার, পে-লোডার, বড় স্কেবেটরসহ প্রায় দুই ডজন শ্রমিক ও কর্মী এই অভিযানে অংশ নেন। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা পীযূষ চন্দ্র দে।

তিনি বলেন, “গল্লামারী ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ১.২০ কিলোমিটার রাস্তা থেকে কাঁচা, আধাপাকা ও পাকা মিলিয়ে ১৭৩টি অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করেছি। ব্রিজ নির্মাণকাজ নির্বিঘ্ন রাখতে আমাদের এই উদ্যোগ। মালামাল রাখার জায়গা ও যাত্রী চলাচলে যাতে সমস্যা না হয়, সেজন্য জায়গাগুলো মুক্ত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “খুলনার মানুষ খুবই সহানুভূতিশীল। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকরা কোনো প্রকার বাধা না দিয়ে আমাদের কাজে সহযোগিতা করেছেন। এজন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।”

গল্লামারী বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, “ব্রিজটি দ্রুত নির্মাণের দাবিতে আমরা দোকান মালিকদের অবৈধ স্থাপনা সরাতে অনুরোধ করেছি। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ভোগান্তিতে ছিলেন। স্কুলগামী শিশু ও সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে, সেটিই আমাদের চাওয়া।”

সওজ জানায়, এই উচ্ছেদ অভিযান আজ ও আগামীকালও চলবে। প্রয়োজনে সময় আরও বাড়ানো হতে পারে। অভিযান শুরুর আগে বারবার মাইকিং ও নোটিশের মাধ্যমে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছিল।

এই কাজে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ সক্রিয় সহযোগিতা করেছে বলে জানিয়েছে সড়ক বিভাগ।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত