চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ক্লাসে ফিরলেন না কুয়েটের শিক্ষকরা, হতাশ শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ক্লাসে ফিরলেন না কুয়েটের শিক্ষকরা, হতাশ শিক্ষার্থীরা

দীর্ঘ আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) আজ রবিবার থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত হলেও ক্লাসে ফেরেননি শিক্ষকরা। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হলেও বাস্তবে শ্রেণিকক্ষে কোনো পাঠদান হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে কিছুটা প্রাণচাঞ্চল্য ফিরলেও একাডেমিক ভবনগুলো এখনও ফাঁকা। সরেজমিনে দেখা গেছে, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে, বিভিন্ন বিভাগীয় ভবন খোলা থাকলেও কোথাও কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি।

এই পরিস্থিতি নিরসনে সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. হযরত আলী প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে শিক্ষক সমিতির সঙ্গে বৈঠকে বসেন। পরে তিনি পর্যায়ক্রমে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাহাতুল ইসলাম বলেন, "আমরা চাই ক্লাস শুরু হোক, বিচার প্রক্রিয়াও চলুক। প্রয়োজনে আমরা শিক্ষকদের কাছে ক্ষমা চাইতেও রাজি। স্যারদের পা ধরেও মাফ চাইবো, শুধু যেন ক্লাস শুরু হয়।"

তিনি আরও বলেন, "যারা ক্যাম্পাসে অরাজকতা সৃষ্টি করেছে, দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীকে আহত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার হোক-এটাই আমাদের দাবিও।"

উল্লেখ্য, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষক সমিতি ঘোষণা দেয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও শিক্ষকদের লাঞ্ছনার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন। সেই ঘোষণা অনুযায়ী এখনও তারা তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ক্লাসে ফিরলেন না কুয়েটের শিক্ষকরা, হতাশ শিক্ষার্থীরা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৫

featured Image

দীর্ঘ আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) আজ রবিবার থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত হলেও ক্লাসে ফেরেননি শিক্ষকরা। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হলেও বাস্তবে শ্রেণিকক্ষে কোনো পাঠদান হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে কিছুটা প্রাণচাঞ্চল্য ফিরলেও একাডেমিক ভবনগুলো এখনও ফাঁকা। সরেজমিনে দেখা গেছে, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে, বিভিন্ন বিভাগীয় ভবন খোলা থাকলেও কোথাও কোনো ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়নি।

এই পরিস্থিতি নিরসনে সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. হযরত আলী প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে শিক্ষক সমিতির সঙ্গে বৈঠকে বসেন। পরে তিনি পর্যায়ক্রমে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাহাতুল ইসলাম বলেন, "আমরা চাই ক্লাস শুরু হোক, বিচার প্রক্রিয়াও চলুক। প্রয়োজনে আমরা শিক্ষকদের কাছে ক্ষমা চাইতেও রাজি। স্যারদের পা ধরেও মাফ চাইবো, শুধু যেন ক্লাস শুরু হয়।"

তিনি আরও বলেন, "যারা ক্যাম্পাসে অরাজকতা সৃষ্টি করেছে, দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীকে আহত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার হোক-এটাই আমাদের দাবিও।"

উল্লেখ্য, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষক সমিতি ঘোষণা দেয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও শিক্ষকদের লাঞ্ছনার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন। সেই ঘোষণা অনুযায়ী এখনও তারা তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত