২০১৮ সালের খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের ফলাফল বাতিল এবং বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে বিজয়ী ঘোষণার দাবিতে করা মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৬ মে।
খুলনা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক খুরশীদ আলম এ দিন বাদী পক্ষকে একতরফা শুনানির নির্দেশ দিয়েছেন।
বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানান, আদালত মামলার আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৬ মে একতরফা শুনানির দিন ধার্য করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “ঐ দিন আদালত ন্যায়ের পক্ষে রায় দিবেন।”
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৫ মে অনুষ্ঠিত কেসিসির চতুর্থ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক মেয়র নির্বাচিত হন। ফলাফল ঘোষণার পরপরই ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেন বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
পরে ২০১৮ সালের ১১ জুলাই, মঞ্জু নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন, যাতে ফলাফল বাতিল করে তাঁকে জয়ী ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
মামলাটি প্রায় সাত বছর ধরে স্থবির থাকার পর ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি আসামিদের সমন জারির মাধ্যমে এর কার্যক্রম আবার শুরু হয়।
আইনজীবীদের মতে, যদিও মামলার রায় বাদীপক্ষে গেলেও বর্তমানে কেসিসির চতুর্থ পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে আদালত যদি রায় দেনও, তবু নজরুল ইসলাম মঞ্জুর মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ থাকবে না।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৫
২০১৮ সালের খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের ফলাফল বাতিল এবং বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে বিজয়ী ঘোষণার দাবিতে করা মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৬ মে।
খুলনা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক খুরশীদ আলম এ দিন বাদী পক্ষকে একতরফা শুনানির নির্দেশ দিয়েছেন।
বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানান, আদালত মামলার আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৬ মে একতরফা শুনানির দিন ধার্য করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “ঐ দিন আদালত ন্যায়ের পক্ষে রায় দিবেন।”
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৫ মে অনুষ্ঠিত কেসিসির চতুর্থ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক মেয়র নির্বাচিত হন। ফলাফল ঘোষণার পরপরই ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেন বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
পরে ২০১৮ সালের ১১ জুলাই, মঞ্জু নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন, যাতে ফলাফল বাতিল করে তাঁকে জয়ী ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
মামলাটি প্রায় সাত বছর ধরে স্থবির থাকার পর ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি আসামিদের সমন জারির মাধ্যমে এর কার্যক্রম আবার শুরু হয়।
আইনজীবীদের মতে, যদিও মামলার রায় বাদীপক্ষে গেলেও বর্তমানে কেসিসির চতুর্থ পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে আদালত যদি রায় দেনও, তবু নজরুল ইসলাম মঞ্জুর মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ থাকবে না।
