চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

কয়রায় নদী চর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, নীরব প্রশাসন

প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
কয়রায় নদী চর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, নীরব প্রশাসন

খুলনার কয়রায় সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের জন্য কয়রা নদীর চর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে ওয়াপদার রাস্তা ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, অথচ স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ৫ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নদীর পার্শ্ববর্তী একটি মৎস্য ঘের থেকে এক সপ্তাহ ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে মাঠ ভরাট করছে। যেখান থেকে বালু তোলা হচ্ছে, সেটি নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত এবং সরকারিভাবে সেখানে রক্ষা বাঁধও নির্মাণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৌমিত্র প্রসাদ সানা বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে সভাপতি আরশাদ মৌলভি সানার কাছে জানতে চান।” তিনি নিজে বালু উত্তোলনের বিষয়ে অবগত হলেও দায় নিতে রাজি হননি।

বিদ্যালয়ের সভাপতি মাওলানা আরশাদুল আলমের মোবাইলে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুলী বিশ্বাস বলেন, “আমি এখনই চৌকিদার পাঠিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিচ্ছি।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন পরিবেশ, কৃষি জমি এবং জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


কয়রায় নদী চর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, নীরব প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৫

featured Image

খুলনার কয়রায় সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের জন্য কয়রা নদীর চর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে ওয়াপদার রাস্তা ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, অথচ স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটে কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ৫ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নদীর পার্শ্ববর্তী একটি মৎস্য ঘের থেকে এক সপ্তাহ ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে মাঠ ভরাট করছে। যেখান থেকে বালু তোলা হচ্ছে, সেটি নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত এবং সরকারিভাবে সেখানে রক্ষা বাঁধও নির্মাণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৌমিত্র প্রসাদ সানা বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে সভাপতি আরশাদ মৌলভি সানার কাছে জানতে চান।” তিনি নিজে বালু উত্তোলনের বিষয়ে অবগত হলেও দায় নিতে রাজি হননি।

বিদ্যালয়ের সভাপতি মাওলানা আরশাদুল আলমের মোবাইলে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুলী বিশ্বাস বলেন, “আমি এখনই চৌকিদার পাঠিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিচ্ছি।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের অবৈধ বালু উত্তোলন পরিবেশ, কৃষি জমি এবং জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত