সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

দায়ী করলেন ইসরায়েলি মন্ত্রী

‘কারাগার হোটেল নয়’, বন্দিদের দুর্দশায় বেন-গভিরের উল্লাস

‘কারাগার হোটেল নয়’, বন্দিদের দুর্দশায় বেন-গভিরের উল্লাস
ইসরায়েলের নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। ছবি : আনাদোলু

ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের কঠোর ও অমানবিক পরিস্থিতিতে রাখায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। বন্দিদের দুর্দশার জন্য নেওয়া কঠোর নীতির ক্ষেত্রে নিজের সরাসরি দায় থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ফিলিস্তিনি নারী বন্দিদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় বেন-গভিরকে। এ সময় এক নারী বন্দি কারাগারের দুরবস্থা এবং মৌলিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ না হওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন।

ওই বন্দি জানান, কারাগারের পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। নারীদের ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় সামগ্রী ব্যবহারের পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি তিন দিন ধরে গোসল করতে পারেননি তারা। চিকিৎসা পাচ্ছেন না এবং পোশাকও পরিষ্কার করার সুযোগ নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জবাবে বেন-গভির বলেন, কারাগারে আগে যে ভালো পরিস্থিতি ছিল, এখন আর তা নেই। বন্দিদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের’ অভিযোগ তাকে প্রভাবিত করে না।

কারাগারের পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য ওই নারী বন্দি অনুরোধ জানালেও তা প্রত্যাখ্যান করেন ইসরায়েলি এই মন্ত্রী।

ফিলিস্তিনি বন্দিদের সঙ্গে বেন-গভিরের এমন আচরণ এবারই প্রথম নয়। এর আগে আগস্টের শুরুতেও এক নারী বন্দির অভিযোগকে উপহাস করেন তিনি। মৌলিক প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পাওয়ার অভিযোগের জবাবে বেন-গভির বলেছিলেন, ‘কারাগার কোনো হোটেল নয়।’

২০২২ সালের শেষ দিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য ইসরায়েলি কারাগারের নীতিমালা আরও কঠোর করার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন বেন-গভির। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এসব নীতির ফলে বন্দিদের খাবার কমিয়ে দেওয়া, চিকিৎসাসেবা সীমিত করা, নির্যাতন এবং দীর্ঘ সময় একাকী বন্দিত্বের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের কারাগার ও আটককেন্দ্রগুলোতে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯৪ জন নারী এবং ৩৫০ জনের বেশি শিশু রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বন্দিদের একটি অংশ অনাহার, নির্যাতন ও চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হওয়ার মতো পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

#ফিলিস্তিন ইসরায়েল #ফিলিস্তিনিবন্দি

চেকপোস্ট

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


‘কারাগার হোটেল নয়’, বন্দিদের দুর্দশায় বেন-গভিরের উল্লাস

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের কঠোর ও অমানবিক পরিস্থিতিতে রাখায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। বন্দিদের দুর্দশার জন্য নেওয়া কঠোর নীতির ক্ষেত্রে নিজের সরাসরি দায় থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ফিলিস্তিনি নারী বন্দিদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় বেন-গভিরকে। এ সময় এক নারী বন্দি কারাগারের দুরবস্থা এবং মৌলিক প্রয়োজনীয়তা পূরণ না হওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন।

ওই বন্দি জানান, কারাগারের পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। নারীদের ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয় সামগ্রী ব্যবহারের পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি তিন দিন ধরে গোসল করতে পারেননি তারা। চিকিৎসা পাচ্ছেন না এবং পোশাকও পরিষ্কার করার সুযোগ নেই বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জবাবে বেন-গভির বলেন, কারাগারে আগে যে ভালো পরিস্থিতি ছিল, এখন আর তা নেই। বন্দিদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের’ অভিযোগ তাকে প্রভাবিত করে না।

কারাগারের পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য ওই নারী বন্দি অনুরোধ জানালেও তা প্রত্যাখ্যান করেন ইসরায়েলি এই মন্ত্রী।

ফিলিস্তিনি বন্দিদের সঙ্গে বেন-গভিরের এমন আচরণ এবারই প্রথম নয়। এর আগে আগস্টের শুরুতেও এক নারী বন্দির অভিযোগকে উপহাস করেন তিনি। মৌলিক প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পাওয়ার অভিযোগের জবাবে বেন-গভির বলেছিলেন, ‘কারাগার কোনো হোটেল নয়।’

২০২২ সালের শেষ দিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য ইসরায়েলি কারাগারের নীতিমালা আরও কঠোর করার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন বেন-গভির। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এসব নীতির ফলে বন্দিদের খাবার কমিয়ে দেওয়া, চিকিৎসাসেবা সীমিত করা, নির্যাতন এবং দীর্ঘ সময় একাকী বন্দিত্বের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের কারাগার ও আটককেন্দ্রগুলোতে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯৪ জন নারী এবং ৩৫০ জনের বেশি শিশু রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বন্দিদের একটি অংশ অনাহার, নির্যাতন ও চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হওয়ার মতো পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত