একসময় শায়েস্তাগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ ছিলেন মোছা. মুক্তা আক্তার। উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেত্রীকে ঘিরে এখন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী
লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তাঁর প্রকাশ্য রাজনৈতিক তৎপরতা আর চোখে পড়ছে না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের দৃশ্যমান উপস্থিতি নেই বলে দাবি করা হচ্ছে।
একসময় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে
সক্রিয় থাকা এই নেত্রী এখন কোথায়? কেন তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না? তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়েছে কি না, কিংবা জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে তাঁর কোনো ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে কি না-এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে আগ্রহী স্থানীয়দের অনেকে।
মুক্তা আক্তার রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে বাউলশিল্পী হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন। ২০১১ সালে তিনি নূরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকার দায়িত্ব পান বলে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তিনি উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেও যুক্ত ছিলেন। রাজনৈতিক
পরিচিতি ও জনপ্রতিনিধিত্বের সুবাদে স্থানীয়
পর্যায়ে তাঁর সাংগঠনিক যোগাযোগ গড়ে ওঠে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল বলে প্রকাশিত সংবাদপ্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।
২০২৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মুক্তা আক্তার। পদ্মফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও তিনি পুনর্নির্বাচিত হতে পারেননি। ওই
নির্বাচনে মমতাজ বেগম ডলি ১৪ হাজার ২৯৪ ভোট পেয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। অন্যদিকে মুক্তা আক্তার পান ৩ হাজার ৩
ভোট। ২০২৪
সালের মে মাসেও তিনি স্থানীয় নির্বাচনী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী
সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক অবস্থান এবং আইনি পরিস্থিতি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। এমন
পরিস্থিতিতে শায়েস্তাগঞ্জের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তা আক্তারের বর্তমান অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর আগের মতো প্রকাশ্য রাজনৈতিক উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি করা হলেও, এর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
একসময় শায়েস্তাগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ ছিলেন মোছা. মুক্তা আক্তার। উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেত্রীকে ঘিরে এখন স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী
লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তাঁর প্রকাশ্য রাজনৈতিক তৎপরতা আর চোখে পড়ছে না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের দৃশ্যমান উপস্থিতি নেই বলে দাবি করা হচ্ছে।
একসময় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে
সক্রিয় থাকা এই নেত্রী এখন কোথায়? কেন তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না? তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়েছে কি না, কিংবা জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে তাঁর কোনো ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে কি না-এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে আগ্রহী স্থানীয়দের অনেকে।
মুক্তা আক্তার রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে বাউলশিল্পী হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন। ২০১১ সালে তিনি নূরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকার দায়িত্ব পান বলে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তিনি উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেও যুক্ত ছিলেন। রাজনৈতিক
পরিচিতি ও জনপ্রতিনিধিত্বের সুবাদে স্থানীয়
পর্যায়ে তাঁর সাংগঠনিক যোগাযোগ গড়ে ওঠে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল বলে প্রকাশিত সংবাদপ্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।
২০২৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মুক্তা আক্তার। পদ্মফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও তিনি পুনর্নির্বাচিত হতে পারেননি। ওই
নির্বাচনে মমতাজ বেগম ডলি ১৪ হাজার ২৯৪ ভোট পেয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। অন্যদিকে মুক্তা আক্তার পান ৩ হাজার ৩
ভোট। ২০২৪
সালের মে মাসেও তিনি স্থানীয় নির্বাচনী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী
সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক অবস্থান এবং আইনি পরিস্থিতি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। এমন
পরিস্থিতিতে শায়েস্তাগঞ্জের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তা আক্তারের বর্তমান অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর আগের মতো প্রকাশ্য রাজনৈতিক উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি করা হলেও, এর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
