ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার নাসিরনগর উপজেলা প্রতিনিধি মো. আব্দুল হান্নান। এ সময় তাঁর হাত থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং ফোনে ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ও তথ্য মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের কুন্ডা গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে বলে সাংবাদিক আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুন্ডা গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় ৩৯ শতাংশ বসতভিটার জমি নিয়ে একটি হিন্দু ও একটি মুসলিম পরিবারের মধ্যে আদালতে মামলা চলছে। ওই জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হিন্দু পরিবারটির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। আদালতের তিন মাসের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির এক মাস ১২ দিন পার হওয়ার পরও পরিবারটি নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
সাংবাদিক আব্দুল হান্নান তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বক্তব্য শোনেন। পরে বিরোধের বিষয়ে এক মুসলিম ব্যক্তির বক্তব্য ভিডিওতে ধারণ করার সময় কুন্ডা দক্ষিণপাড়ার মীরবাড়ির আফজাল নামের এক যুবক এসে তাঁর হাত থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সাংবাদিকের দাবি, ওই যুবক তাঁকে ভিডিও ধারণের অনুমতি কে দিয়েছেন, কেন তিনি সেখানে গেছেন এবং কে তাঁকে পাঠিয়েছেন—এমন নানা প্রশ্ন করেন। এ সময় তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন আব্দুল হান্নান।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন শিক্ষক, একজন মাদ্রাসাশিক্ষক ও তাঁর এক বন্ধুর অনুরোধে পরে মোবাইল ফোনটি ফেরত পান। তবে ফোনটি ফেরত পাওয়ার পর তাতে ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ ভিডিওসহ বেশ কিছু তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া স্ট্যাটাসে আব্দুল হান্নান লেখেন, ‘আজকের খবরের শিরোনাম হতে হতো আমাকে। যাক, মহান রব আমাকে রক্ষা করেছেন।’
এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ করেছেন কি না, জানতে চাইলে সাংবাদিক আব্দুল হান্নান বলেন, মোবাইল ফোনটি ফেরত পাওয়ায় তিনি থানায় কোনো অভিযোগ করেননি।
এদিকে, জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় হিন্দু পরিবারটির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ এবং সেই ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া ও ভিডিও মুছে ফেলার দাবি-দুটি বিষয়ই স্থানীয়ভাবে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আফজালের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের বক্তব্য এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাইও করা সম্ভব হয়নি।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার নাসিরনগর উপজেলা প্রতিনিধি মো. আব্দুল হান্নান। এ সময় তাঁর হাত থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং ফোনে ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ও তথ্য মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের কুন্ডা গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে বলে সাংবাদিক আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুন্ডা গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় ৩৯ শতাংশ বসতভিটার জমি নিয়ে একটি হিন্দু ও একটি মুসলিম পরিবারের মধ্যে আদালতে মামলা চলছে। ওই জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হিন্দু পরিবারটির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। আদালতের তিন মাসের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির এক মাস ১২ দিন পার হওয়ার পরও পরিবারটি নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
সাংবাদিক আব্দুল হান্নান তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বক্তব্য শোনেন। পরে বিরোধের বিষয়ে এক মুসলিম ব্যক্তির বক্তব্য ভিডিওতে ধারণ করার সময় কুন্ডা দক্ষিণপাড়ার মীরবাড়ির আফজাল নামের এক যুবক এসে তাঁর হাত থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সাংবাদিকের দাবি, ওই যুবক তাঁকে ভিডিও ধারণের অনুমতি কে দিয়েছেন, কেন তিনি সেখানে গেছেন এবং কে তাঁকে পাঠিয়েছেন—এমন নানা প্রশ্ন করেন। এ সময় তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন আব্দুল হান্নান।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন শিক্ষক, একজন মাদ্রাসাশিক্ষক ও তাঁর এক বন্ধুর অনুরোধে পরে মোবাইল ফোনটি ফেরত পান। তবে ফোনটি ফেরত পাওয়ার পর তাতে ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ ভিডিওসহ বেশ কিছু তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া স্ট্যাটাসে আব্দুল হান্নান লেখেন, ‘আজকের খবরের শিরোনাম হতে হতো আমাকে। যাক, মহান রব আমাকে রক্ষা করেছেন।’
এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ করেছেন কি না, জানতে চাইলে সাংবাদিক আব্দুল হান্নান বলেন, মোবাইল ফোনটি ফেরত পাওয়ায় তিনি থানায় কোনো অভিযোগ করেননি।
এদিকে, জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় হিন্দু পরিবারটির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ এবং সেই ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া ও ভিডিও মুছে ফেলার দাবি-দুটি বিষয়ই স্থানীয়ভাবে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আফজালের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের বক্তব্য এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাইও করা সম্ভব হয়নি।
