২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।
রবিবার (১৫ জুন) সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
জি এম কাদের বলেন, অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় এটিকে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অগ্রযাত্রা বলা হলেও এর বাস্তব ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর মতে, বাজেটটি অনেকাংশে জনতুষ্টিমূলক এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের মতো করে প্রণয়ন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাজেট কাঠামো গতানুগতিক পদ্ধতিতে আগের বছরের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি করে তৈরি করা হয়েছে, যা নতুন কোনো দিক নির্দেশনা দেয় না।
প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিচালন ব্যয়, উন্নয়ন ব্যয় ও ঋণ ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জি এম কাদের দাবি করেন, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবসম্মত নয় এবং অতীতে ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি।
তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, বিগত কয়েক বছরে রাজস্ব আহরণ গড়পড়তা ৭০–৭৭ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, যা আগামী বাজেট বাস্তবায়নেও বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, রপ্তানি ও উৎপাদন খাতে মন্দাভাব চলছে। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও কারখানা বন্ধ হওয়ার প্রবণতা অর্থনীতিকে চাপের মুখে ফেলেছে।
তিনি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, স্থিতিশীল পরিবেশ ছাড়া বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক মন্দাও বাজেট বাস্তবায়নে ঝুঁকি তৈরি করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জি এম কাদের বলেন, বাজেট বাস্তবায়নে বিপুল ঋণ নির্ভরতা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আর্থিক ঘাটতি ও অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে পারে।
তিনি দেশবাসীর প্রতি জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করলেই সংকট মোকাবিলা সম্ভব।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।
রবিবার (১৫ জুন) সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
জি এম কাদের বলেন, অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় এটিকে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অগ্রযাত্রা বলা হলেও এর বাস্তব ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর মতে, বাজেটটি অনেকাংশে জনতুষ্টিমূলক এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের মতো করে প্রণয়ন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাজেট কাঠামো গতানুগতিক পদ্ধতিতে আগের বছরের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি করে তৈরি করা হয়েছে, যা নতুন কোনো দিক নির্দেশনা দেয় না।
প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিচালন ব্যয়, উন্নয়ন ব্যয় ও ঋণ ব্যবস্থাপনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জি এম কাদের দাবি করেন, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবসম্মত নয় এবং অতীতে ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি।
তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, বিগত কয়েক বছরে রাজস্ব আহরণ গড়পড়তা ৭০–৭৭ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, যা আগামী বাজেট বাস্তবায়নেও বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, দেশে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, রপ্তানি ও উৎপাদন খাতে মন্দাভাব চলছে। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও কারখানা বন্ধ হওয়ার প্রবণতা অর্থনীতিকে চাপের মুখে ফেলেছে।
তিনি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, স্থিতিশীল পরিবেশ ছাড়া বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক মন্দাও বাজেট বাস্তবায়নে ঝুঁকি তৈরি করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জি এম কাদের বলেন, বাজেট বাস্তবায়নে বিপুল ঋণ নির্ভরতা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আর্থিক ঘাটতি ও অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে পারে।
তিনি দেশবাসীর প্রতি জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করলেই সংকট মোকাবিলা সম্ভব।
