জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্দোলনের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে, যা পরবর্তীতে সারাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিস্তৃত হয়।”
অনুষ্ঠানে তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলনের সময় অনেক ছাত্রী শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে তাঁদের মধ্যে অনেকে অনলাইন বুলিং ও বডি শেমিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাঁর দাবি, তৎকালীন প্রশাসন তাঁদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আগের প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে দলীয়করণের মাধ্যমে একপাক্ষিকভাবে পরিচালনা করতে চেয়েছিল। তবে বর্তমান প্রশাসনের অধীনে সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তাঁদেরও একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ ছিল, কিন্তু তারা সে পথে হাঁটেননি।
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, তাঁর মতে এই আন্দোলনের পটভূমি অনেক আগের। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভিন্নমত দমনে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং এ কারণে অনেক শিক্ষার্থী হয়রানি, গ্রেপ্তার, গুলিবিদ্ধ হওয়া কিংবা শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্নের শিকার হয়েছেন।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি কয়েকজন শিক্ষকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মন্তব্যের সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা উচিত এবং এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি অবস্থানে চলে যান।
অনুষ্ঠানে তাঁর এসব বক্তব্য উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্দোলনের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে, যা পরবর্তীতে সারাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিস্তৃত হয়।”
অনুষ্ঠানে তিনি অভিযোগ করেন, আন্দোলনের সময় অনেক ছাত্রী শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে তাঁদের মধ্যে অনেকে অনলাইন বুলিং ও বডি শেমিংয়ের শিকার হয়েছেন। তাঁর দাবি, তৎকালীন প্রশাসন তাঁদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আগের প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে দলীয়করণের মাধ্যমে একপাক্ষিকভাবে পরিচালনা করতে চেয়েছিল। তবে বর্তমান প্রশাসনের অধীনে সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তাঁদেরও একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ ছিল, কিন্তু তারা সে পথে হাঁটেননি।
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, তাঁর মতে এই আন্দোলনের পটভূমি অনেক আগের। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভিন্নমত দমনে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল এবং এ কারণে অনেক শিক্ষার্থী হয়রানি, গ্রেপ্তার, গুলিবিদ্ধ হওয়া কিংবা শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্নের শিকার হয়েছেন।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি কয়েকজন শিক্ষকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মন্তব্যের সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা উচিত এবং এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি অবস্থানে চলে যান।
অনুষ্ঠানে তাঁর এসব বক্তব্য উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।
