আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তিতে লটারি পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসছে। প্রথম শ্রেণিতে লটারি থাকলেও দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নেওয়ার প্রস্তাব করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৫০ নম্বরের এক ঘণ্টার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে থাকবে ২০ নম্বর।
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য হবে ১০০ নম্বরের দুই ঘণ্টার পরীক্ষা। এতে বাংলা ৩০, ইংরেজি ৩০ ও গণিতে ৪০ নম্বর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
মাউশির বৈঠকে ভর্তি নীতিমালা নিয়ে আলোচনা শেষে একটি প্রস্তাবনা তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর নতুন ভর্তি নীতিমালা জারি করবে মন্ত্রণালয়।
মাউশি সূত্র জানায়, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ও বিজয় দিবসের পর ১৭ ডিসেম্বর থেকে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করা হচ্ছে। তবে তারিখটি এখনো চূড়ান্ত নয়।
এদিকে ভর্তি পরীক্ষার আগেই নভেম্বরের মধ্যে স্কুলগুলোকে শূন্য আসনের তালিকা জমা দিতে হবে।
করোনা মহামারির পর প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে ভর্তি চালু ছিল। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে প্রথম শ্রেণিতে লটারি এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে পরীক্ষা—এমন পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তিতে লটারি পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসছে। প্রথম শ্রেণিতে লটারি থাকলেও দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নেওয়ার প্রস্তাব করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৫০ নম্বরের এক ঘণ্টার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে থাকবে ২০ নম্বর।
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য হবে ১০০ নম্বরের দুই ঘণ্টার পরীক্ষা। এতে বাংলা ৩০, ইংরেজি ৩০ ও গণিতে ৪০ নম্বর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
মাউশির বৈঠকে ভর্তি নীতিমালা নিয়ে আলোচনা শেষে একটি প্রস্তাবনা তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর নতুন ভর্তি নীতিমালা জারি করবে মন্ত্রণালয়।
মাউশি সূত্র জানায়, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ও বিজয় দিবসের পর ১৭ ডিসেম্বর থেকে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করা হচ্ছে। তবে তারিখটি এখনো চূড়ান্ত নয়।
এদিকে ভর্তি পরীক্ষার আগেই নভেম্বরের মধ্যে স্কুলগুলোকে শূন্য আসনের তালিকা জমা দিতে হবে।
করোনা মহামারির পর প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে ভর্তি চালু ছিল। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে প্রথম শ্রেণিতে লটারি এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে পরীক্ষা—এমন পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
