পাবনার বেড়া উপজেলার কৈটোলা ইউনিয়নের হরিরামপুর তিন মাথা মোড় এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটির ট্রান্সমিটারের শর্টসার্কিট থেকে খড়ের গাদায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের তাৎক্ষণিক তৎপরতা ও সাহসিকতার কারণে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকার পর মঙ্গলবার (আজ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল হয়। বিদ্যুৎ আসার সাথে সাথেই হরিরামপুর তিন মাথা মোড় এলাকার একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির ট্রান্সমিটারে হঠাৎ শর্টসার্কিট ঘটে এবং আগুনের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে জ্বলন্ত আগুনের স্ফুলিঙ্গ ছিটকে পাশের একটি খড়ের গাদায় গিয়ে পড়ে।
খড়গুলো সম্পূর্ণ শুকনো থাকায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় এবং এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে নিজেদের প্রচেষ্টায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। তাদের সময়োপযোগী ও সাহসিকতাপূর্ণ পদক্ষেপে আগুন কোনো বসতবাড়ি বা জনবহুল এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আগেই সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
আকস্মিক এই অগ্নিকাণ্ডে কিছুক্ষণের জন্য এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করলেও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয়দের দাবি, সময়মতো প্রতিরোধ গড়ে না তুললে আশপাশের বসতবাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার বেড়া উপজেলার কৈটোলা ইউনিয়নের হরিরামপুর তিন মাথা মোড় এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটির ট্রান্সমিটারের শর্টসার্কিট থেকে খড়ের গাদায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের তাৎক্ষণিক তৎপরতা ও সাহসিকতার কারণে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকার পর মঙ্গলবার (আজ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল হয়। বিদ্যুৎ আসার সাথে সাথেই হরিরামপুর তিন মাথা মোড় এলাকার একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির ট্রান্সমিটারে হঠাৎ শর্টসার্কিট ঘটে এবং আগুনের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে জ্বলন্ত আগুনের স্ফুলিঙ্গ ছিটকে পাশের একটি খড়ের গাদায় গিয়ে পড়ে।
খড়গুলো সম্পূর্ণ শুকনো থাকায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় এবং এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে নিজেদের প্রচেষ্টায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। তাদের সময়োপযোগী ও সাহসিকতাপূর্ণ পদক্ষেপে আগুন কোনো বসতবাড়ি বা জনবহুল এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আগেই সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।
আকস্মিক এই অগ্নিকাণ্ডে কিছুক্ষণের জন্য এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করলেও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয়দের দাবি, সময়মতো প্রতিরোধ গড়ে না তুললে আশপাশের বসতবাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।
