বগুড়ার সোনাতলায় বাবার কাছে হাতখরচের টাকা না পেয়ে অভিমান করে রাকিব মিয়া (১৮) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কামারপাড়া গ্রামে দাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাকিব মিয়া সোনাতলা উপজেলার তেকানী চুকাইনগর মহেশপাড়া গ্রামের মো. ফুলবাবুর ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোনাতলার মহেশপাড়া এলাকায় নানার বাড়িতে রাকিবের ছোট বোন মোছা. ফাহিমা খাতুনের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। বুধবার দুপুরে রাকিব বাবার কাছে হাতখরচের জন্য টাকা চান।
এ সময় তার বাবা তাকে নেশাগ্রস্ত থাকার অভিযোগ তুলে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাবা ও মামার হাতে তাকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
এরপর অভিমান করে রাকিব সাঘাটা উপজেলার কামারপাড়া গ্রামে দাদার বাড়িতে চলে যান। স্বজনদের দাবি, রাতে সবার অজান্তে তিনি গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন।
পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে সোনাতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
সোনাতলা থানার এসআই মো. মোবারক হোসেন জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ঘটনার পেছনে অভিমানকে কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার সোনাতলায় বাবার কাছে হাতখরচের টাকা না পেয়ে অভিমান করে রাকিব মিয়া (১৮) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কামারপাড়া গ্রামে দাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাকিব মিয়া সোনাতলা উপজেলার তেকানী চুকাইনগর মহেশপাড়া গ্রামের মো. ফুলবাবুর ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোনাতলার মহেশপাড়া এলাকায় নানার বাড়িতে রাকিবের ছোট বোন মোছা. ফাহিমা খাতুনের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। বুধবার দুপুরে রাকিব বাবার কাছে হাতখরচের জন্য টাকা চান।
এ সময় তার বাবা তাকে নেশাগ্রস্ত থাকার অভিযোগ তুলে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাবা ও মামার হাতে তাকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
এরপর অভিমান করে রাকিব সাঘাটা উপজেলার কামারপাড়া গ্রামে দাদার বাড়িতে চলে যান। স্বজনদের দাবি, রাতে সবার অজান্তে তিনি গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন।
পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে সোনাতলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
সোনাতলা থানার এসআই মো. মোবারক হোসেন জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ঘটনার পেছনে অভিমানকে কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
