মেহেরপুরে দায়িত্ব পালনকালে নানা অভিযোগের মুখে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সাইফুল আলমকে ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে পদায়ন করাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও বাসিন্দা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দায়িত্বে থাকা অবস্থায় জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন, বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হয়রানি, চাঁদাবাজি এবং অনলাইন জুয়া সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাবেক জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অতীতে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে সাইফুল আলম অনলাইন জুয়ার অস্তিত্বের কথা স্বীকার করলেও নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, প্রভাবশালী মহলের কারণে জুয়া পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, গত ৩১ জুলাই জারি হওয়া এক আদেশে তাঁকে সাভার মডেল থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তাঁর পদায়ন নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।
মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান এবং জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হুসাইনসহ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত তদন্ত বা বিচারিক সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়নি। তাই অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
মেহেরপুরে দায়িত্ব পালনকালে নানা অভিযোগের মুখে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সাইফুল আলমকে ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে পদায়ন করাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও বাসিন্দা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দায়িত্বে থাকা অবস্থায় জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন, বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হয়রানি, চাঁদাবাজি এবং অনলাইন জুয়া সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাবেক জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অতীতে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে সাইফুল আলম অনলাইন জুয়ার অস্তিত্বের কথা স্বীকার করলেও নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, প্রভাবশালী মহলের কারণে জুয়া পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, গত ৩১ জুলাই জারি হওয়া এক আদেশে তাঁকে সাভার মডেল থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তাঁর পদায়ন নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।
মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল হাসান এবং জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হুসাইনসহ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত তদন্ত বা বিচারিক সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়নি। তাই অভিযোগগুলো প্রমাণিত নয়।
