মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের দাবি জানিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ দাখিল করা হয়।
অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান জানান, দুই সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন ঘটনায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল পদে থেকেও মো. সাহাবুদ্দিন প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করেননি। আয়নাঘর, গুম, খুনসহ বিভিন্ন অভিযোগের সময়ও তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেননি বলে দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে বলা হয়, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, গুম-খুনসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের সময় আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন।
দলটির দাবি, ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ নীতির আওতায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদেরও এসব ঘটনার দায়ের বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
তারা আরও অভিযোগ করে, তৎকালীন রাষ্ট্রপতিরা তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হয়েও বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেননি এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন।
এদিকে, গণঅভ্যুত্থানের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতার অভিযোগ এনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে পৃথক আরেকটি অভিযোগ দায়ের করেছে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের দাবি জানিয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ দাখিল করা হয়।
অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান জানান, দুই সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন ঘটনায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল পদে থেকেও মো. সাহাবুদ্দিন প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করেননি। আয়নাঘর, গুম, খুনসহ বিভিন্ন অভিযোগের সময়ও তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেননি বলে দাবি করেন তিনি।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে বলা হয়, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, গুম-খুনসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের সময় আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন।
দলটির দাবি, ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ নীতির আওতায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদেরও এসব ঘটনার দায়ের বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
তারা আরও অভিযোগ করে, তৎকালীন রাষ্ট্রপতিরা তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হয়েও বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেননি এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন।
এদিকে, গণঅভ্যুত্থানের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতার অভিযোগ এনে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে পৃথক আরেকটি অভিযোগ দায়ের করেছে রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ওই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।
