বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

রাজনীতি

ধারণাগত ভিন্নতা আছে বিরোধীদলীয় নেতা

সংবিধান সংস্কার নাকি সংশোধন? সংসদে নতুন বিতর্ক

সংবিধান সংস্কার নাকি সংশোধন? সংসদে নতুন বিতর্ক
ছবি : সংগৃহীত

সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে এ কমিটিতে এখনই সদস্যের নাম দিচ্ছে না বিরোধী দল।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের বৈঠকে মধ্যাহ্ন বিরতির পর আইনমন্ত্রী ১৭ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, সরকারি দলের সাতজন এবং স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল থেকে পাঁচজনকে নিয়ে প্রাথমিকভাবে ১২ সদস্যের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া বিরোধী জোট থেকে আরও পাঁচজনের নাম চাওয়া হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিরোধী দল পাঁচজনের নাম দিলে আগামী বৃহস্পতিবার সংসদে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।

তিনি আরও জানান, শতাংশের হিসাব অনুযায়ী বিরোধী দলের অংশ ২৬ শতাংশ হওয়ায় তাদের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্য রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জুলাই সনদ সামনে রেখে সংবিধান সংশোধনের কাজ এগিয়ে নিতে চায় সরকার।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বিরোধীদলীয় নেতার কাছে দ্রুত পাঁচ সদস্যের তালিকা দেওয়ার অনুরোধ জানান।

তবে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, কমিটি গঠন নিয়ে তাদের মধ্যে ধারণাগত ভিন্নতা’ রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সংস্কার চেয়েছি, কিন্তু এখানে বলা হচ্ছে সংশোধন। এই জায়গায় আগেও মতপার্থক্য ছিল, এখনো আছে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিরোধী জোটের মধ্যে আলোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এখনই কোনো মতামত দেওয়া সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

আইনমন্ত্রীর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগে তাদের আপত্তি নেই। প্রয়োজনে পরবর্তী অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করতেও তারা প্রস্তুত।

#বাংলাদেশ_রাজনীতি #সংবিধান_সংশোধন #জাতীয়_সংসদ

চেকপোস্ট

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


সংবিধান সংস্কার নাকি সংশোধন? সংসদে নতুন বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে এ কমিটিতে এখনই সদস্যের নাম দিচ্ছে না বিরোধী দল।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের বৈঠকে মধ্যাহ্ন বিরতির পর আইনমন্ত্রী ১৭ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, সরকারি দলের সাতজন এবং স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল থেকে পাঁচজনকে নিয়ে প্রাথমিকভাবে ১২ সদস্যের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া বিরোধী জোট থেকে আরও পাঁচজনের নাম চাওয়া হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিরোধী দল পাঁচজনের নাম দিলে আগামী বৃহস্পতিবার সংসদে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।

তিনি আরও জানান, শতাংশের হিসাব অনুযায়ী বিরোধী দলের অংশ ২৬ শতাংশ হওয়ায় তাদের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্য রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জুলাই সনদ সামনে রেখে সংবিধান সংশোধনের কাজ এগিয়ে নিতে চায় সরকার।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বিরোধীদলীয় নেতার কাছে দ্রুত পাঁচ সদস্যের তালিকা দেওয়ার অনুরোধ জানান।

তবে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, কমিটি গঠন নিয়ে তাদের মধ্যে ধারণাগত ভিন্নতা’ রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সংস্কার চেয়েছি, কিন্তু এখানে বলা হচ্ছে সংশোধন। এই জায়গায় আগেও মতপার্থক্য ছিল, এখনো আছে।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিরোধী জোটের মধ্যে আলোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এখনই কোনো মতামত দেওয়া সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

আইনমন্ত্রীর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগে তাদের আপত্তি নেই। প্রয়োজনে পরবর্তী অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করতেও তারা প্রস্তুত।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত