দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা স্তরের শিক্ষকদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে পদক ও পুরস্কার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) প্রফেসর নাজমুল হক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার মানোন্নয়নে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষকদের পাঠদান দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে উৎসাহিত করতে পদক ও পুরস্কার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষকদের মূল্যায়নে কয়েকটি বিশেষ মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদান নয়, শিক্ষকদের পেশাগত ও গবেষণামূলক সৃজনশীলতাও মূল্যায়নে গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে অবদান, চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সক্ষমতা, পোশাক-পরিচ্ছদ, সবুজ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গঠনে ভূমিকা এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান পুনঃসজ্জিত করার বিষয়ও বিবেচনায় রাখা হবে।
মাউশির এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষকদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা স্তরের শিক্ষকদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দিতে পদক ও পুরস্কার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) প্রফেসর নাজমুল হক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি শিক্ষার মানোন্নয়নে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষকদের পাঠদান দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে উৎসাহিত করতে পদক ও পুরস্কার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষকদের মূল্যায়নে কয়েকটি বিশেষ মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদান নয়, শিক্ষকদের পেশাগত ও গবেষণামূলক সৃজনশীলতাও মূল্যায়নে গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে অবদান, চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সক্ষমতা, পোশাক-পরিচ্ছদ, সবুজ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গঠনে ভূমিকা এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান পুনঃসজ্জিত করার বিষয়ও বিবেচনায় রাখা হবে।
মাউশির এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষকদের ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
