শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

শিক্ষক ও পুলিশের ভূমিকা ঘিরে আলোচনা

লাখাইয়ে গভীর রাতে মাদরাসার মালামাল পাচারকালে আটক পিকআপ

লাখাইয়ে গভীর রাতে মাদরাসার মালামাল পাচারকালে আটক পিকআপ
ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার করাব ইউনিয়নের করাব রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসা-র সরকারি মালামাল গভীর রাতে পাচারের সময় জনতার হাতে একটি পিকআপ ভ্যান আটক হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদরাসার সুপার মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক আব্বাস উদ্দীন, নজির হোসেন ও নৈশ্যপ্রহরী মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন শিক্ষক নিজেদের সিদ্ধান্তে মাদরাসার পুরাতন বই, খাতা ও বিভিন্ন মালামাল বিক্রি করেন। পরে গভীর রাতে সেগুলো পিকআপে করে সরানোর সময় স্থানীয় লোকজন গাড়িটি আটক করে পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে লাখাই থানার উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম মোল্লা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির চাবি জব্দ করেন। তবে এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক আব্বাস উদ্দীন বলেন, মাদরাসার শিক্ষকরা আলোচনা করেই পুরাতন মালামাল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে রাতে মালামাল সরানো ঠিক হয়নি বলেও তিনি স্বীকার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরকারি মালামাল বিক্রির বিধান নেই। নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন নিয়ে প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করতে হয় এবং অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল হক জানান, মালামালসহ গাড়িটি থানায় নেওয়া হয়েছে। উভয় পক্ষকে ডেকে বিস্তারিত শুনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর উপজেলা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

#লাখাই #মাদরাসা #সরকারি_মালামাল

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬


লাখাইয়ে গভীর রাতে মাদরাসার মালামাল পাচারকালে আটক পিকআপ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার করাব ইউনিয়নের করাব রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসা-র সরকারি মালামাল গভীর রাতে পাচারের সময় জনতার হাতে একটি পিকআপ ভ্যান আটক হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদরাসার সুপার মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক আব্বাস উদ্দীন, নজির হোসেন ও নৈশ্যপ্রহরী মিজানুর রহমানসহ কয়েকজন শিক্ষক নিজেদের সিদ্ধান্তে মাদরাসার পুরাতন বই, খাতা ও বিভিন্ন মালামাল বিক্রি করেন। পরে গভীর রাতে সেগুলো পিকআপে করে সরানোর সময় স্থানীয় লোকজন গাড়িটি আটক করে পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে লাখাই থানার উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম মোল্লা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির চাবি জব্দ করেন। তবে এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক আব্বাস উদ্দীন বলেন, মাদরাসার শিক্ষকরা আলোচনা করেই পুরাতন মালামাল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে রাতে মালামাল সরানো ঠিক হয়নি বলেও তিনি স্বীকার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরকারি মালামাল বিক্রির বিধান নেই। নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন নিয়ে প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করতে হয় এবং অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল হক জানান, মালামালসহ গাড়িটি থানায় নেওয়া হয়েছে। উভয় পক্ষকে ডেকে বিস্তারিত শুনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর উপজেলা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত