বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করল।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-এর প্রথম ইউনিটে আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক অংশীদার এবং বিশেষজ্ঞরা।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা যাচাই শেষে এই পর্যায়ে পৌঁছানো দেশের জন্য ঐতিহাসিক অর্জন। তিনি জানান, রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং এটি বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।
তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক শক্তি ভবিষ্যতে দেশের শিল্পায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হবে। প্রকল্পটি দুটি ভিভিইআর-১২০০ ইউনিটের মাধ্যমে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রাখবে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, এটি শুধু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, বরং প্রযুক্তি, দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বাস্তব উদাহরণ। দীর্ঘ যাত্রা শেষে প্রকল্পটি এখন বাস্তবতার দ্বারপ্রান্তে।
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) প্রধান রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি রূপপুরের এই অগ্রগতিকে বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানির নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
রাশিয়ার রোসাটম প্রধান আলেক্সেই লিখাচেভ জানান, প্রকল্পটি শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং বাংলাদেশ এখন শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হলো।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রকল্প জাতীয় গ্রিডে বড় পরিমাণ বিদ্যুৎ যোগ করে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে। দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করল।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র-এর প্রথম ইউনিটে আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক অংশীদার এবং বিশেষজ্ঞরা।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা যাচাই শেষে এই পর্যায়ে পৌঁছানো দেশের জন্য ঐতিহাসিক অর্জন। তিনি জানান, রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং এটি বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।
তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক শক্তি ভবিষ্যতে দেশের শিল্পায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হবে। প্রকল্পটি দুটি ভিভিইআর-১২০০ ইউনিটের মাধ্যমে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রাখবে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, এটি শুধু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, বরং প্রযুক্তি, দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বাস্তব উদাহরণ। দীর্ঘ যাত্রা শেষে প্রকল্পটি এখন বাস্তবতার দ্বারপ্রান্তে।
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (IAEA) প্রধান রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি রূপপুরের এই অগ্রগতিকে বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানির নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
রাশিয়ার রোসাটম প্রধান আলেক্সেই লিখাচেভ জানান, প্রকল্পটি শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং বাংলাদেশ এখন শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হলো।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রকল্প জাতীয় গ্রিডে বড় পরিমাণ বিদ্যুৎ যোগ করে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে।
