বাগেরহাটের রামপালে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে নিরাপত্তা চেয়েছেন যুবদল নেতা ও জুলাই যোদ্ধা মো. মহিদুল ইসলাম। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রেসক্লাব রামপালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পেড়িখালী ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগ সভাপতি আনিচ মাঝি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তাঁর দাবি, গত ২৫ অক্টোবর রাতে এবং ২৬ অক্টোবর সকালে দুই দফায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।
মহিদুলের অভিযোগ, হামলার সময় তাঁকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে ভ্যানচালক আব্দুল্লাহ এবং তাঁর সঙ্গে থাকা সোহেল ও জাকারিয়া আহত হন। এ সময় দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং একটি ফোন পানিতে ফেলে নষ্ট করা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি পক্ষ অভিযুক্ত আনিচ মাঝিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিরাপত্তা চাইলেন মহিদুল
সংবাদ সম্মেলনে মহিদুল ইসলাম প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার ও রামপাল থানা পুলিশের কাছে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত বছর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের হামলায় তাঁর দুই পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।
আইনের আওতায় আনার আশ্বাস পুলিশের
এ বিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে গত রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। অভিযুক্ত যত প্রভাবশালীই হোক, তাঁকে আইনের আওতায় আনা হবে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
বাগেরহাটের রামপালে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে নিরাপত্তা চেয়েছেন যুবদল নেতা ও জুলাই যোদ্ধা মো. মহিদুল ইসলাম। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রেসক্লাব রামপালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, পেড়িখালী ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগ সভাপতি আনিচ মাঝি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তাঁর দাবি, গত ২৫ অক্টোবর রাতে এবং ২৬ অক্টোবর সকালে দুই দফায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।
মহিদুলের অভিযোগ, হামলার সময় তাঁকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে ভ্যানচালক আব্দুল্লাহ এবং তাঁর সঙ্গে থাকা সোহেল ও জাকারিয়া আহত হন। এ সময় দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং একটি ফোন পানিতে ফেলে নষ্ট করা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি পক্ষ অভিযুক্ত আনিচ মাঝিকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিরাপত্তা চাইলেন মহিদুল
সংবাদ সম্মেলনে মহিদুল ইসলাম প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার ও রামপাল থানা পুলিশের কাছে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত বছর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের হামলায় তাঁর দুই পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।
আইনের আওতায় আনার আশ্বাস পুলিশের
এ বিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে গত রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। অভিযুক্ত যত প্রভাবশালীই হোক, তাঁকে আইনের আওতায় আনা হবে।
