রাঙামাটি শহরের ব্যস্ততম সড়ক দখল করে সুপার স্টার ট্রান্সপোর্ট ও জে কে টায়ারের পণ্যবাহী যানবাহনের বেপরোয়া পার্কিং এবং যত্রতত্র লোড-আনলোডের কারণে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের ভারী কাভার্ড ভ্যানগুলো ট্রাফিক আইন অমান্য করে সড়কের রং সাইডে দাঁড় করিয়ে মালামাল খালাস করছে। এতে শহরের প্রধান সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যস্ত সময়ে রাস্তার মাঝখানে গাড়ি রেখে মালামাল লোড-আনলোড করার ফলে যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। ফলে ছোট যানবাহনগুলো দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ছে।
পথচারীদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। ফুটপাত ও রাস্তার অংশ দখল হয়ে যাওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করছেন।
এক স্থানীয় ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই গাড়িগুলো কোনো নিয়ম মানে না। যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে কাজ শুরু করে, প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি দেয়। আমরা দ্রুত সমাধান চাই।
এদিকে এলাকাবাসী দাবি করেছেন, সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘন করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক বিভাগের নিয়মিত নজরদারি বাড়িয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
রাঙামাটি শহরের ব্যস্ততম সড়ক দখল করে সুপার স্টার ট্রান্সপোর্ট ও জে কে টায়ারের পণ্যবাহী যানবাহনের বেপরোয়া পার্কিং এবং যত্রতত্র লোড-আনলোডের কারণে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের ভারী কাভার্ড ভ্যানগুলো ট্রাফিক আইন অমান্য করে সড়কের রং সাইডে দাঁড় করিয়ে মালামাল খালাস করছে। এতে শহরের প্রধান সড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যস্ত সময়ে রাস্তার মাঝখানে গাড়ি রেখে মালামাল লোড-আনলোড করার ফলে যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। ফলে ছোট যানবাহনগুলো দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ছে।
পথচারীদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। ফুটপাত ও রাস্তার অংশ দখল হয়ে যাওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করছেন।
এক স্থানীয় ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই গাড়িগুলো কোনো নিয়ম মানে না। যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে কাজ শুরু করে, প্রতিবাদ করলে উল্টো হুমকি দেয়। আমরা দ্রুত সমাধান চাই।
এদিকে এলাকাবাসী দাবি করেছেন, সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘন করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক বিভাগের নিয়মিত নজরদারি বাড়িয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
